রাত তখন অনেকটা। কাঁথির শন্তিকুঞ্জের ছোট্ট একটা ঘরে শুয়ে আছি। চারতলায়। শুভেন্দু ফোনে কথা বলছে কারও সঙ্গে। অবশ্য প্রতিদিন গভীর রাতেই বাড়ি ফেরে শুভেন্দু। 

এমনকি রাত বারোটাতেও কাঁথি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের শুভেন্দুর অফিসে মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকত। আর সেসব ম্যানেজ করত হিমাংশু-চঞ্চলরা।

তৃণমূলের বেশ কিছু বিক্ষুব্ধ বিধায়ক, জেলা পরিষদের মেম্বার, সভাপতি--- কে থাকত না সেই দলে। তবে মামুদ, রওশন, রণজিৎ, তাহের, সুফিয়ানদের মতো মুসলিম নেতারাই ছিল শুভেন্দুর কাছের মানুষ সেই সময়।  

বলতে দ্বিধা নেই, শুভেন্দুর প্রতি লাগাতার চলতে থাকা তৃণমূলের নানা রকম অন্যায় সেই সময় মেনে নেয়নি বহু তৃণমূলী নেতা। সেই না মানার দলে ছিল প্রায় ৬০ জন মতো বিধায়ক। বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার কথাও ভেবেছিল তারা কেউ কেউ এক সময়। 

সেই সময় দেখেছি--- মুসলমানদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্ক ছিল যেন আত্মিক। প্রতি মাসে মাসে যাদের জন্য টাকা পাঠাতে হ’ত তাঁকে, তাদের বেশির ভাগই ছিল গরিব মুসলমান।

শুভেন্দুর ঘরে শুয়ে শুয়ে কি যেন ভাবছিলাম। ল্যান্ড ফোনে কথা শেষ করে শুভেন্দু বললেন,  ‘শুভাদি ফোন করেছিলেন। শুভা দত্ত। বর্তমান পত্রিকার মালিক বরুণ সেনগুপ্তের বোন। শুভাদি বললেন, আমার দাদারাই মমতাকে তুলেছিলেন, আমরাই এবার উনাকে ফেলব।’

অনেকের খেয়াল থাকতে পারে, ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে হারিয়ে রাজ্যে তৃণমূল পার্টি সরকার গঠন করার আগে বর্তমান পত্রিকা যেভাবে তৃণমূলকে সাপোর্ট করেছিল, সরকার তৈরি হওয়ার পর পত্রিকাটা বেশ কিছুদিন তৃণমূল-বিরোধী হয়ে উঠেছিল।

যে সময়কার কথা বলছি, সেইসময় সবেমাত্র তৃণমূল পার্টি রাজ্যের সরকারে বসেছে। ফলত আজকের দিনে বিজেপি পার্টির যা অবস্থা ঠিক তেমনি সেইসময়ও বহু ধান্দাবাজ মানুষ সিপিএম থেকে তৃণমূল পার্টিতে ঢুকে পড়েছিল রাতারাতি। তাদের মধ্যে ছিল বাম বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ। এরা বেশির ভাগ ছিল অত্যন্ত ধান্দাবাজ। 

সেইসব বুদ্ধিজীবীদের অনেকে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের দিনগুলোয় দল বেঁধে গাড়িতে চেপে নন্দীগ্রামে যেতেন আন্দোলনকে সংহতি জানাতে। শুভেন্দু এদের প্রত্যেকেরই প্রিয় মানুষ ছিল। বলতে দ্বিধা নেই, শুভেন্দুই বুদ্ধিজীবীদের নন্দীগ্রাম আসা-যাওয়ার খরচ দিতেন বেশির ভাগ সময়।

ফলত, সেইসময় থেকেই শুভেন্দু অধিকারী পৃথিবীর অন্যতম সেরা ‘এসইজেড’  বিরোধী ও কৃষক আন্দোলনের একটি ঐতিহাসিক চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন দারুণভাবে। 

যে সময়ের কথা তুলে ধরছি, সেইসব দিনগুলোয় মাত্র দু’চারজন মানুষও তৃণমূল সমর্থক ছিলেন না জঙ্গলমহলের। তৃণমূল পার্টি, সরকারে আসার পরই মমতাদি শুভেন্দুকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন জঙ্গলমহলে সংগঠন বাড়ানোর। সেই কারণেই ধীরে ধীরে জঙ্গলমহলে তৃণমূলের সংগঠন ডালপালা ছড়িয়েছিল শুভেন্দুর অক্লান্ত পরিশ্রমে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, যেভাবেই হোক জঙ্গলমহলে তাদের পার্টির খাতা খুলতেই হবে।

মাঝেমধ্যেই শুভে¨ু আমাকে ফোন করে বলতেন, ‘দাদা আমি জঙ্গল মহলে ঢুকেছি। তুমি একটু ল্যান্ড ফোনে যাও। কথা আছে।’ 

এভাবেই অনেক দিন কেটেছে। শুভেন্দুর চেষ্টায় ধীরে ধীরে গোটা জঙ্গলমহলে ঘাসফুল ফুটেছিল দারুণভাবে। আহা!

শুভেন্দু ছাড়া এই কাজ সম্ভব হ’ত না। জননেত্রী উল্লসিত। জঙ্গলমহলের মাওবাদীরা তখন তৃণমূলের প্রতি আস্থাশীল। মাওবাদীদের সঙ্গে শুভেন্দুর সরাসরি যোগাযোগ না হলেও মাওবাদী নেতৃত্ব তাঁকে ভরসা করা শুরু করেছিল অনেকটা।  

না, শুভেন্দুর প্রতি জননেত্রীর ভালোবাসা ও আস্থা বেশিদিন টেকেনি সেই সময় থেকে। কারণ, তৃণমূলের রাজনৈতিক বৃত্তে তখন হঠাৎই আগমন ঘটেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আজকের হিসাবে যা জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনে সবচেয়ে মারাত্মক ভুল।

মোটামুটিভাবে শোনা যায়, দিল্লি থেকে ম্যানেজমেন্ট পাস করে এসেই অভিষেক ঢুকে পড়েছিল পিসি’র রাজনীতিতে। কিছুদিনের মধ্যেই সে পৌঁছে যায় ক্ষমতার অলিন্দে।

অন্যদিকে, জঙ্গলমহলে শুভেন্দু অধিকারীর অসাধারণ নেতৃত্বকে মেনে নেয়নি--- সেই সময়কার তৃণমূল পার্টি।

ফলে  রাতারাতি জঙ্গলমহলে উদয় হয়েছিল মুকুল রায়ের ‘ভৈরব বাহিনী’। মূলত শুভেন্দু বাহিনীকে জধ করাটাই ছিল ভৈরব বাহিনীর কাজ। তথ্য বলছে, লালগড় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অপারেশন গ্রিন হান্টের বিরুদ্ধে যেমন পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গণ-সংগঠন লালগড়ের আদিবাসী আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তেমনি অতি-বাম বলে পরিচিত মাওবাদীরাও আদিবাসীদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই আন্দোলনে শামিল হয়েছিল মাঠ পর্যায়ে। ফলত, অচিরেই মাওবাদী নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল শুভেন্দুর লোক কারা কারা, আর মুকুলেরই বা কারা কারা তাঁর তালিকা।

বলতে দ্বিধা নেই, মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে উঠে আসা এক সাধারণ যুবকের পক্ষে বাংলার ১০ কোটি মানুষের অবিভাবক হয়ে ওঠার পিছনে অবশ্যই ছিল সেদিনের জঙ্গলমহলে নেতা হিসাবে টিকে থাকার এক মারাত্মক অভিজ্ঞতাও। যে অভিজ্ঞতার পরতে পরতে ছিল মৃত্যুর হাতছানি।

কারণ, শুভেন্দু অধিকারীকে লড়তে হয়েছিল কোনও বাইরের শত্রুর সঙ্গে নয়। বরং তাঁকে লড়তে হয়েছিল নিজের পার্টির লোকেদের সঙ্গে। রাজনীতির সিনিয়র অভিভাবকদের সঙ্গে, গোপনে, বোকা সেজে।

মনে পড়ছে সেইসময় ভৈরব বাহিনীর গুণ্ডাদের হাত থেকে শুভেন্দুর কর্মীদের কীভাবে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম আমি, সেই কথা শুভেন্দুই একদিন বলেছিল, তাঁর হলদিয়া ডেভলপমেন্টের চেম্বারে বসে। রুদ্ধদ্বার সেই চেম্বারে বসে সেদিন সমূহ বিপদের হাত থেকে দু’জনেরই বেঁচে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল আমাদের। যে আলোচনার মূল বিষয় ছিল--- একটি ‘বিতর্কিত ল্যাপটপ’।

সেই সময় একটি গ্রন্থও লিখেছিলাম--- ‘নিজের ঢাক’ নামে। সেই বইয়েই বেশ কয়েকটি বিতর্কিত নিবন্ধ আছে শুভেন্দুকে নিয়ে। একটি নিবন্ধের শিরোনাম হচ্ছে--- ‘খুনের হাত থেকে বাঁচলেন শুভেন্দু অধিকারী।’ সেখানে আমি একটি গোপন গোয়েন্দা রিপোর্টও প্রকাশ করেছিলাম।

তাতে উল্লেখ ছিল শুভেন্দু অধিকারীর জীবন সংশয় হতে পারে তৃণমূল পার্টিরই একটি অংশের দ্বারা। যেটির মেমো নম্বর ছিল, ১২৬৮১/১/৬/ DIE–২২/১০/২০১১।

অবশ্য মৃত্যুর হাত থেকে একবার নয় বারবার বেঁচেছেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়। বলা যায়, নন্দীগ্রাম আন্দোলনে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল একাধিকবার। 

নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কথা আজকাল বাঙালির স্মৃতির আড়ালে। পৃথিবী বিখ্যাত সেই ‘এসইজেড’-বিরোধী আন্দোলনের প্রধান সেনাপতি ছিলেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী তথা সেদিনের গণ-আন্দোলনের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চের পরে থেকে সেই বছরের ১০ নভেম্বর টানা কয়েক মাস বিস্তীর্ণ নন্দীগ্রামের প্রতিটি গ্রামের মানুষ গেরিলা যুদ্ধ করে বেঁচেছিলেন, তৎকালীন সিপিএম সরকার ™ুষ্ট খেজুরিতে জড়ো হওয়া হাজার হাজার হার্মাদদের হাত থেকে বাঁচতে। 

নন্দীগ্রাম আর খেজুরি এই দুই যুদ্ধ ক্ষেত্রের মাঝে ছিল হলদি নদী থেকে বেয়ে আসা তালপাটি খাল। কোথাও সেটা ৪০ -৫০ ফুট চওড়া, কোথাও বা ৬ ফুট।

খেজুরির হার্মাদ বাহিনীর হাতে ছিল সিপিএম সরকারের দেওয়া অসংখ্য আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি-বোম। সারাদিন নন্দীগ্রাম লক্ষ্য করে গুলি করত তারা। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের যোদ্ধারা একপ্রকার খালি হাতে। তবে নন্দীগ্রামের প্রতিরোধ বাহিনীর হিসাব ছিল, ‘এক গুলি এক প্রাণ’।  তা না হলে সিপিএম সরকারপুষ্ট হার্মাদ বাহিনীর মতো বস্তা বস্তা গুলি পাবে কোথায় নন্দীগ্রামের অসহায় মানুষ! শুভেন্দুর নেতৃত্বে নন্দীগ্রামের সাতেঙ্গাবাড়ির রওশন আলী, তৈয়দুল, মুখা, কাজিহাররা এক প্রকার গেরিলা ফাইট করেই নন্দীগ্রামকে রাষ্ট্রীয় খুনি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিল কয়েকটা মাস। এই বিষয়ে একটি ঘটনা খুব উল্লেখযোগ্য। ঘটনাটি আমি আমার ‘চোখের পানি’  উপন্যাসে রেখেছি।

বর্ষার কাদা মাড়িয়ে ধান ক্ষেত্রের মাঝ দিয়ে বুক টেনে টেনে প্রতিরোধ বাহিনী এগিয়ে চলছে খেজুরির বাহারগঞ্জের দিকে। খালি হাতে কাদা মেখে ভূত হয়ে বুক টেনে টেনে বাহিনীকে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুবক রওশন। ভয়ে প্রাণপণে পিছু হটছে অস্ত্রধারী হার্মাদের দল। রওশনের বুকে যেন ঝড় উঠেছে। আজই সে প্রতিরোধ বাহিনী নিয়ে পৌঁছে যাবে খেজুরির বিভিন্ন হার্মাদ ক্যাম্পে। যেখানে বহু নন্দীগ্রামবাসীকে একপ্রকার ক্যাম্পে বন্দি করে রেখে বামফ্রন্ট সরকার প্রচার করছে,  ‘ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে বদ্ধপরিকর সিপিএম’। 

নিরাপদ স্থানে দাঁড়িয়ে রওশন ফোন করেছে, সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারীকে। ‘দাদা, আমরা হার্মাদদের খেদাতে খেদাতে খেজুরির বর্ডারে এসে গেছি। আজই ওদের শেষ করব। ঢুকে যাব খেজুরিতে?

না, কয়েক সেকেন্ডের নীরবতা। কয়েক মুহূর্ত পরে শুভেন্দু বলে, ‘আর একপাও এগোবে না। সাবধানে ফিরে এসো। নন্দীগ্রাম কখনও আক্রমণ করে না। নন্দীগ্রাম প্রতিরোধ করে।

’ 

আরও একটি অজানা কথা, ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে রাষ্ট্রের গুলি চালানোর ঠিক আগের দিন রাত্রে শুভেন্দু অধিকারী তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কমরেড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ফ্যাক্স মারফত চিঠি দিয়ে অনুরোধ করে বলেছিলেন, ‘পুলিশ না পাঠিয়ে আর একবার কি আমরা আলোচনায় বসতে পারি না স্যার।’ না, আর আলোচনায় বসেনি তৎকালীন সময়ের বাম সরকার, এটাই বুঝি নিয়তি! 

তবে সেই যুদ্ধে বহু বামপন্থী মানুষ ভালোবেসে ফেলেছিল যুবক শুভেন্দু অধিকারীকে। আন্দোলনের দিনগুলোতেই কখনও কখনও বোরকা পরেই তিনি গোপনে ঢুকে পড়তেন প্রতিরোধ বাহিনীদের উৎসাহ দিতে। এমনই একদিন ঘেরায় পড়ে গিয়েছিলেন শুভে¨ু, জরাজীর্ণ ভাঙাচোরা জেলিংহাম কারখানার কাছে। খান দশেক অস্ত্রধারী সিপিএম হার্মাদ ঘিরে ধরেছিল তাঁকে। মৃত্যু যেন তাঁর মাথার কাছে। 

আচমকাই বাজপাখির মতো একটা বাইক এসে দাঁড়িয়ে ছিল তাঁর পায়ের কাছে। হঠাৎই তাঁকে তুলে নিয়ে যেন উড়ে গিয়েছিল বাইকটা কয়েক মাইল দূরে। অবাক হয়েছিল শুভেন্দু। অচেনা বাইক চালককে প্রশ্ন করেছিল তিনি,  তুমি কে ভাই? 

ছেলেটি বলেছিল, আমার পরিচয় নাই বা জানলেন। আমি হার্মাদ। আমি আপনাদের আন্দোলনকে সমর্থন করি। আপনাকে স্যালুট জানাই। ব্যস, তারপর যেন উড়ে গিয়েছিল ছেলেটা। অবাক হয়ে ছেলেটার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ছিল নন্দীগ্রামের শুভেন্দু।

নন্দীগ্রাম আন্দোলনের দিনগুলোয় এমনই বহু অবাক করা ঘটনা ঘটেছিল নন্দীগ্রামে। তারপর সময় গড়িয়েছে। তৃণমূল ক্ষমতা দখল করেছে নন্দীগ্রামের। শুভেন্দু একদিন আমাকে নিয়ে গিয়েছিল সদ্য হার্মাদ মুক্ত খেজুরীর কয়েকটা গ্রামে। সেই সময় অস্ত্র উদ্ধার চলছিল।

মনে আছে, একজন বৃদ্ধা ভিখারিনীর কথা। বহু চেষ্টা করে দু’চারটে গ্রাম ঘুরে ঘুরেও সে একটু চাল জোগাড় করতে পারত না। তাকে সকলে ঘৃণা করত। কারণ, তার স্বামীর কাজ ছিল নন্দীগ্রাম-খেজুরির দিনগুলোয় লাশের পেট চিরে নদীতে ছুঁড়ে দেওয়া। লাশ কাটতে কাটতে সে মানুষটা নিজেই একদিন লাশ হয়ে গিয়েছিল ভয়ে। এসব কথায় আমি নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছি আমার ‘চোখের পানি’  গ্রন্থে। সেই উপন্যাসের প্রধান নায়কও সেদিনের শুভেন্দু অধিকারী ।

সময় পাল্টেছে, শুভেন্দু অধিকারী এখন আর সাধারণ মানুষ নন। ১১ কোটি হিন্দু-মুসলমানসহ রাজ্যে বসবাসকারী সমস্ত ধর্ম-বর্ণের মানুষের অভিভাবক তিনি। সবেমাত্র তাঁর সরকার পথচলা শুরু করেছে। এখনও তাঁর কোনও সমালোচনা করার সময় বোধহয় আসেনি। দেখা যাক আগামীতে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য শুভে¨ু অধিকারী কী ভূমিকা পালন করেন।