পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাতের জেরে সৃষ্ট সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশের তারেক রহমানের সরকার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিস্থিতির যে অবনতি হয়েছে, তাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঞ্চয় এখন সময়ের দাবি।
এই সংকটের মূল কারণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিশ্বজুড়ে মোট তেল রফতানির ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়েই সম্পন্ন হয়। ইরান-আমেরিকা ও ইসরাইল সংঘাতের জেরে বর্তমানে এই পথ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত স্তব্ধ। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় একটি অংশ বাংলাদেশে আসত। পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অদূর ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা করছে তারেক সরকার। বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জোগান নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই ছুটির শেষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুনরায় খোলা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপ বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।