পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জানিয়ে দিলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই দেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সময় পবিত্র রমযান শুরু হওয়ার আগেই ভোটের প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
এই ঘোষণার সঙ্গেই রাজনীতির পারদ চড়েছে ঢাকায়। কারণ, গত বছরের জুলাই-অগাস্ট মাসে দেশে যে ছাত্র আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থান হয়, তার জেরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপর থেকেই অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার চালাচ্ছেন ইউনূস।আরও পড়ুন:
৫ আগস্ট ছিল সেই নাটকীয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক বছর পূর্তি। আর ঠিক সেই দিনেই জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইউনূস বললেন, ‘এখন আমাদের সর্বশেষ দায়িত্ব; একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।’ তিনি আরও জানান, নির্বাচনের তারিখ ঠিক করতে নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘ ছ’মাস ধরে এই নির্বাচন ঘিরে বিএনপি ও ইউনূসের সরকারের মধ্যে দরকষাকষি চলছিল। কিন্তু এবার ইউনূসের ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিএনপি।আরও পড়ুন:
একই দিনে বিকেলে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘৩৬ জুলাই’ নামক ছাত্র-আন্দোলনের স্মরণে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন ইউনূস। সেখানে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের সেই গণ-অভ্যুত্থান রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে।’ তিনি এও জানান, আগামী নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, তারা নতুন করে গঠিত সংবিধানে এই ঘোষণাপত্রকে অন্তর্ভুক্ত করবে।