পুবের কলম প্রতিবেদক: বাংলা ভাগের পর এপার বাংলায় মুসলিমদের সাহিত্য-সংßৃñতিতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল, তা পূরণ করতে হবে। শিক্ষা-সংস্কৃতিতে এগিয়ে আসতে হবে। নারীদের ইসলামি সংস্কৃতিত দিকে এগিয়ে আসতে আসতে হবে বলে মন্তব্য করলেন দৈনিক 'পুবের কলম' পত্রিকার সম্পাদক তথা রাজ্যসভার সাবেক সদস্য আহমদ হাসান ইমারান।
আরও পড়ুন:
বুধবার হাওড়ার বাঁকড়া বটতলায় 'মানবিক সুচেতনা সমিতি' নামে একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আয়োজিত ঈদ সম্মিলনী ২০২৩ এবং সিমাই উৎসবের মঞ্চে তিনি জানান, বাংলার মুসলিম সমাজ বড় সাহিত্য অঙ্গনে জায়গা পায় না। আমরা বিনোদন গানে অবদান রাখব কিন্তু অশ্লীলতায় নয়।
সাহিত্য চর্চা হবে, বাঁকড়ার ভাইরা এগিয়ে আসছে। বাংলা ভাগের পর এপার বাংলায় শিক্ষা-সংস্কৃতিতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল তা পূরণ করতে এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি জানান।আরও পড়ুন:
এ দিনের অনুষ্ঠানে সুচেতনা পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। সঙ্গে গুণীজন ও কৃতী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল-আমীন মিশনের সম্পাদক এম নুরুল ইসলাম, স্বামী পরমান্দ মহারাজ, সেখ আলিমুদ্দিন, সংগঠনের সভাপতি সেখমুহাম্মদ হাসান ফেরদাউস, সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, আজিজুল হক লস্কর, সামিমা মল্লিক প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
এদিন দ্বীনিয়াত মোয়াল্লেমা কলেজের ছাত্রীদের কুরআন পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ২০২২-র কৃতীদের হাতে পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাঁকড়ার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী মরহুম আফাজুদ্দিনকে মরণোত্তর স্বাধীনতা সংগ্রামী পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর নাতি সেখ কাইফ। অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান মল্লিক, সেরামিক ইঞ্জিনিয়ার তৈয়েবুর রহমান সরদার, গবেষক ড. নাজমুল হাসানকেও এসিন সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কবিতা পাঠ, নাটক, বিভিন্ন সিমাইপ্রদর্শনীর স্বাদে আনুষ্ঠানটি বর্ণময় হয়ে ওঠে।