অর্পিতা লাহিড়ীঃ এই কলকাতার মধ্যে আছে আরও একটা কলকাতা নাম তার বো ব্যারাক। গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী যান মহানগরীর এই আ্যংলো পাড়ায় বলেন পরের বছর ক্রিসমাস ফেস্টিভ্যালে যুক্ত হবে বো ব্যারাকও
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা যেন বো- ব্যারাকের বাসিন্দাদের বর্ষবরণের উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মধ্য কলকাতার বৌ বাজার অঞ্চলে এই বো ব্যারাকে এই মুহূর্তে প্রায় ১৩২টি পরিবারের কমবেশি ৪০০ আবাসিক রয়েছেন। বড়দিন আর বর্ষবরণের জন্য দূরে থাকা প্রবাসী আত্মীয়রা আসেন বো ব্যারাকে।
উৎসব পায় অন্য মাত্রা।
বো ব্যারাকের আবাসিক শ্যারন জেড পুবের কলম ডিজিটাল কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন মিশ্র এক সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে বো ব্যারাক। এখানে চীনা থেকে শুরু করে ক্যাথলিক, মুসলিম এমনকি হিন্দুরাও বসবাস করেন।ভিন্দালু, ঘরে বানানো গ্রেপ ওয়াইন ,জিঞ্জার ওয়াইনে জমে ওঠে উৎসব।
আরও পড়ুন:

তবে গত দু’বছর ধরে কোভিডের কারণে সেই উৎসবের রং খানিকটা ফিকে হলেও এ বার অবশ্য ভিন্রাজ্য থেকে অনেকেই ফিরতে পেরেছেন শহরে।
বর্ষশেষের রাতে এলাহি আয়োজন রয়েছে বো ব্যারাকে, নাচ,গানের সঙ্গে কবজি ডুবিয়ে খাওয়া দাওয়া। রাতভর চলবে উৎসব। তবে বাইরে থেকে যারা আসবেন অনুষ্ঠান দেখতে তাদের টিকিট কাটতে হবে ৫০০ টাকার।

বো ব্যারাকের ইতিহাস বলে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এর সময় এই ব্যারাক গুলি ব্রিটিশ সৈনিক দের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহার করা হত। যার নাম ছিলো গ্যারিসন মেস। দেশ স্বাধীন হবার পর অ্যাংলো ইন্ডিয়ান রা বংশপরম্পরায় এই বো ব্যারাকেই থেকে যান। লাল ইঁটের ব্রিটিশ স্থাপত্য এর এই আবাসন গুলিতে বর্তমানে থাকেন আবাসিকরা।
২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বড়দিনের উৎসব।চলবে ২রা জানুয়ারি অবধি। সব মিলিয়ে ২০২২ কে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বো ব্যারাক।
আরও পড়ুন: