পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :  রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে নিয়ে সংঘাত পৌঁছল দিল্লির দরবারে। সরাসরি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে ধনখড় সম্পর্কে নালিশ জানালেন লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজ্যপাল বদল করা দরকার।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (Ramnath Kovind) সামনেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) অপসারণের দাবি তুলল তৃণমূল (TMC)। সোমবার রাষ্ট্রপতি সংসদে বাজেট অধিবেশনের উদ্বোধন করেন। ভাষণ শেষ হওয়ার পর বেরিয়ে যাওয়ার মুখে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay)।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজ্যপাল (Governor) জগদীপ ধনখড়কে সরিয়ে দেওয়া উচিত।

এদিন রাষ্ট্রপতি সংসদে বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন ভাষণ দিতে এসেছিলেন।সেই সময়ে কোবিন্দ সুদীপকে দেখে বলেন, ‘‘আপনাকে আজ বেশ হাসি হাসি মুখে দেখাচ্ছে।’’ এর পরেই কোনও ভনিতা না করে কাজের কথাটি বলে দেন সুদীপ। তিনি বলেন,‘‘স্যার, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে সরান। না হলে, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিপদ হচ্ছে।

’’ সেই সময়ে কোবিন্দের পাশেই ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু।

সংসদের দুই কক্ষেই এবার রাজ্যপালের অপসারণের দাবিতে তৃণমূল সরব হবে বলে সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সাংসদদের সঙ্গে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই নেত্রী দলীয় সাংসদদের এ ব্যাপারে সরব হওয়ার পরামর্শ দেন। রাজ্যসভা এবং লোকসভায় সুযোগ পেলেই রাজ্যপালের অপসারণ চাইতে হবে, এমনটাই নির্দেশ মমতার। দলের রাজ্যসভার সাংসদ শুখেন্দুশেখর রায় ওইদিনই জানিয়েছিলেন, রাজ্যসভায় রাজ্যপালের অপসারণ চেয়ে স্বতন্ত্র প্রস্তাব আনা হবে।

https://twitter.com/ANI/status/1488071729381474305?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1488071729381474305%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fkolkatatv.org%2Ftop-8%2Fjagdeep-dhankhar-sudip-bandyopadhyay-urges-removal-of-governor%2F

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এদিন রাষ্ট্রপতি উদ্বোধনী ভাষণ দেন। পরে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করা হয়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেট পেশ করবে। এদিন তৃণমূল দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুরুতেই বুঝিয়ে দিলেন, আগামী দিনগুলিতে তাঁরা সংসদের দুই কক্ষেই রাজ্যপালের অপসারণকে কেন্দ্র করে হইচই চালাবে। সোমবার রাজ্যপালের কাছে সেই দাবি তুলে সুদীপ তার সুর বেঁধে দিলেন।