পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই কিভাবে গুজরাতের মোরবি জেলায় ঝুলন্ত ব্রিজে সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে, উঠছে প্রশ্ন। দুর্ঘটনার দিন সন্ধ্যায় প্রায় ৫০০ জন সেতুতে উঠেছিল বলে জানা গেছে। এমনকী শনিবার অনেক মানুষকে ব্রিজ ধরে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন উঠেছে ১২৫ জনের ধারণ ক্ষমতাযুক্ত ব্রিজে ৫০০ জন উঠল কিভাবে?
নির্দিষ্ট মূল্যের থেকে বেশি দামে টিকিট বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, বেশি অর্থ লাভের জন্যই অতিরিক্ত সংখ্যায় টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল৷ বহন ক্ষমতার থেকে অতিরিক্ত মানুষ সেতুতে ওঠার কারণেই কেবল ব্রিজটি ভেঙে পড়ে৷আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনার সময় দুলতে দুলতে মাচ্ছু নদীতে ছিঁড়ে পড়ে সেতুটি। অনেকে কেবল তার ধরে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। এখনও পর্যন্ত এই সেতু বিপর্যয়ে ১৪১ জনের প্রাণ গেছে। বেশিরভাগই ছিলেন পর্যটক।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনার সময় অনেকে ব্রিটিশ আমলের এই পুরনো সেতুটিতে ছট পুজোর বিভিন্ন নিয়মকানুন পালন করছিলেন।
আরও পড়ুন:
মাচ্ছু নদীর উপরে এই কেবলের সেতুটি গত সাত মাস মেরামতির জন্য বন্ধ ছিল। গুজরাতি নববর্ষের দিন ২৬ অক্টোবর জনসাধারণের জন্য এই সেতুটি খুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
মোরবি কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, কোনও ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ ছাড়াই এই সেতু খুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
গুজরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সেতু বিপর্যয়ের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। পাশাপাশি, যে এজেন্সি সেতু সংস্কারের কাজ করেছিল, তাঁদের বিরুদ্ধেও একাধিক ধারায় মামলা করেছে গুজরাত সরকার৷
আরও পড়ুন:
রবিবার দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল।
আরও পড়ুন: