পারিজাত মোল্লা, মঙ্গলকোট: আর কয়েক সপ্তাহ পরেই রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার সাথে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল পুরসভার ভোট রয়েছে।  ঠিক তার আগেই বাম ও কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। তৃণমূলে যোগদান করলেন কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেত্রী ও রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ট ইন্দ্রাণী মিশ্র। মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক ছিলেন ইন্দ্রাণী।

গত রবিবার বিকেলে আসানসোল রবীন্দ্রভবনে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত ধরে ইন্দ্রাণী মিশ্র যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
ইতিপূর্বে জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে ইন্দ্রাণী মিশ্র আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে এবং আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় কংগ্রেসের যেমন একদিকে ক্ষতি হল তেমনি তার পাশাপাশি তৃণমূল শক্তিশালী হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

এ ব্যাপারে ইন্দ্রাণী মিশ্র জানিয়েছেন, "রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ও রাজ্যের উন্নয়নের ধারায় মানুষের কাজ করতেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছি"। তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রী মলয় ঘটকের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয় আমি তৃণমূলে যোগ দিলাম।  আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি শুধুমাত্র আসানসোলের উন্নতিতে সামিল হব বলে।
এখানকার নাগরিক হিসেবে কিছু নৈতিক দায়িত্ব থেকে যায়।"

তবে শুধু ইন্দ্রাণী মিশ্র নয়, তৃণমূলে যোগ দিলেন সিপিআইয়ের জেলা কমিটির নেতা তথা আসানসোল পৌরনিগমের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র মানিক মালাকার। মন্ত্রী মলয় ঘটক জানান, আগামীদিনে রাজ্যে বিরোধী শক্তি বলে কিছু থাকবে না। ওই দুই হেভিওয়েট নেতার পাশাপাশি জামুরিয়া ও বার্নপুর থেকেও বিপুল সংখ্যক বাম ও কংগ্রেস কর্মী তৃণমূলের ঝাণ্ডা তুলে নেন। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত পুরপ্রশাসক তথা তৃণমূল নেতা অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, আইএনটিটিইউসি জেলা সভাপতি অভিজিৎ ঘটক, প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান অনিমেষ দাসসহ অন্যান্যরা।