(হাইলাইটস)
আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনে ইসরাইলি দখলদারি, অবৈধ বসতি স্থাপন এবং ভূখণ্ড সংযুক্তিকরণের আইনি পরিণতির ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আদালতের পরামর্শ চেয়েছে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদ। বিশেষ করে জেরুসালেম শহরে দখলদারি ও ইসরাইলের বৈষম্যমূলক আচরণের আইনি প্রতিকার চাওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করা নিয়ে নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসের (আইসিজে) মতামত চাওয়ায় রাষ্ট্রসংঘের তীব্র সমালোচনা করেছেন নয়া ইহুদি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ পশ্চিম তীর, গাজা ও পূর্ব জেরুসালেম এলাকায় ইসরাইলের দখলদারি ঠেকাতে শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ, রাশিয়া এবং চিনসহ ৮৭টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। আমেরিকা, ব্রিটেন এবং কানাডাসহ ২৪টি দেশ ভোট দেয় বিপক্ষে।
ভোটদানে বিরত থাকে ফ্রান্স, ভারত, ব্রাজিল, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড এবং জাপানসহ ৫৩টি দেশ। ফলে পক্ষে বেশি ভোট পড়ায় প্রস্তাবটি পাস হয়ে যায়।আরও পড়ুন:
ওই প্রস্তাবে পশ্চিম তীর, গাজা ও পূর্ব জেরুসালেম এলাকায় ইসরাইলের দখলদারি ঠেকাতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মতামত চেয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি বলেন, ইসরাইলে উগ্র ডানপন্থীরা সরকার গঠন করেছে। তারা ইহুদি বসতি সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মানসুর বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে, আপনারা যারা ভোট দিয়েছেন, তারা সবাই আন্তর্জাতিক আইন ও শান্তিতে বিশ্বাস করেন।
যখন আইসিজে তার রায় দেবে, তখন আপনারা সেই সিদ্ধান্তকে সমুন্নত রাখবেন। একই সঙ্গে ঠিক এই মুহূর্তে ইসরাইলি সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন।’আরও পড়ুন:
এদিকে, রাষ্ট্রসংঘের এই প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসরাইলের নতুন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু বলেন, ‘রাষ্ট্রসংঘের এ ধরনের ভ্রান্ত ভোটের মাধ্যমে ইসরাইলকে বেঁধে রাখা যাবে না। ইহুদিদের নিজ ভূখণ্ডের অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত করতে পারবে না।’
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে ইসরাইল।
বছরের পর বছর ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেফতার, হত্যাযজ্ঞসহ নানা অপরাধ অব্যাহত রেখেছে দেশটি। ইসরাইলের এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের আইনি পরিণতি কী হতে পারে, সে বিষয়েই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইজিসে) মতামত জানতে চেয়ে রাষ্ট্রসংঘে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। প্রস্তাবটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সমর্থনে পাস হয়েছে। এতে ইসলামিক দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষ আদালত হল হেগ-ভিত্তিক আইসিজে। এটি বিশ্ব আদালত নামেও পরিচিত। ভোটাভুটির পর ফিলিস্তিনি সিনিয়র কর্মকর্তা হুসেইন আল শেখ বলেছেন, ‘এটি ফিলিস্তিনি কূটনীতির বিজয়।’ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনেহ বলেন, ‘ফিলিস্তিন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার সময় এসেছে। ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান নিপীড়ন-নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের হিসেব ইসরাইলকে দিতে হবে।’