পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন। নিখোঁজ ও আহতের সংখ্যা গণনাতীত। সেনা জওয়ান সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ২০৬ জনকে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গঙ্গোত্রী এবং অন্যান্য অঞ্চলে আটকে পড়া ২৭৪ জন পর্যটককে সফলভাবে উদ্ধার করে উত্তরকাশী এবং দেরাদুনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩১ জন গুজরাত এবং ১২৩ জন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা বলেই জানা গেছে।আরও পড়ুন:
বলা বাহুল্য, মঙ্গলবার উত্তরকাশীতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে প্রলয়-রূপ ধারণ করে পাহাড়ি নদী ক্ষীরগঙ্গা। হড়পা বানে কার্যত ধুয়ে সাফ হয়ে যায় সংলগ্ন ধারালি গ্রাম। কাছেই হর্ষিল সেনাছাউনির ১১ জন সেনাকর্মী নিখোঁজ হন। উত্তরাখণ্ডে গত কিছুদিন ধরেই ভারী বৃষ্টি চলছে।
তার জেরে ফুঁসছে রাজ্যের অধিকাংশ নদী। হরিদ্বারে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা।আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার এহেন দুর্যোগের মধ্যে বুধবার একই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে হিমাচল প্রদেশের কিন্নরে। মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে ভেসে যায় টাংলিং নালার উপরের অস্থায়ী দুটি সেতু। আটকে পড়েন বহু পর্যটক।
খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। জিপলাইনে উদ্ধার ৪১৩ জন পর্যটক। সকলেই তীর্থযাত্রী বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুন:
সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে দেরাদুনের স্কুল-কলেজ । এছাড়া নৈনিতাল, তেহরি, চামোলি, রুদ্রপ্রয়াগ, আলমোরা বা বাগেশ্বর জেলা কার্যত অবরুদ্ধ। উত্তরাখণ্ড জুড়ে অন্তত ১৬৩টি রাস্তা বন্ধ। তার মধ্যে আছে পাঁচটি জাতীয় সড়ক ও সাতটি রাজ্য সড়ক। রাজধানী দেরাদুন থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরের দুটি সীমান্তবর্তী সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গমস্থানে উদ্ধারকার্য চালাতে আরও সমস্যা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: