পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশ দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। গোয়া ও উত্তরাখণ্ডে এক দফাতেই যথাক্রমে ৪০ ও ৭০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। অন্যদিকে, উত্তর প্রদেশে দ্বিতীয় দফায় মোট ৯টি জেলায় ৫৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। গোয়ায় ৪০টি কেন্দ্রে মোট ৩০১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। উত্তরাখণ্ডে ১৩টি জেলা মিলিয়ে মোট ৭০ টি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে।

সোমবারের ভোটগ্রহণ পর্বে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ। চলছে ৫৫ আসনের ভোট গ্রহণ।

সেই সঙ্গে গোয়াতেও বিধানসভা নির্বাচন। ৪০ আসনে ভোট গ্রহণ  সম্পন্ন হবে। অন্যদিকে উত্তরাখণ্ডে ৭০ আসনে আজ ভোট গ্রহণ। সকাল ১১টা অবধি ২৬ শতাংশ ভোট গোয়ায়, উত্তর প্রদেশে ২৩ শতাংশ, উত্তরাখণ্ডে ভোটের হার ১৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, উত্তরাখণ্ডের রাজনীতিতে এবারেও কংগ্রেস বনাম বিজেপিই লড়াই। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে মূলত ভোট যুদ্ধ সমাজবাদী পার্টি বনাম বিজেপি।

তিন রাজ্যে আজ ভাগ্য নির্ধারণের বড় পরীক্ষা। একদিকে যেমন দেশের বৃহত্তম রাজ্যের মানুষেরা দ্বিতীয় দফায় নিজেদের ভোটদান করবেন, তেমনই আবার উত্তরাখণ্ড ও গোয়াতেও বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। সকালেই ট্যুইট করে, সকলকেই সকাল সকাল গিয়ে ভোটদানের আহ্বান জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে লেখেন,   'আজ উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও গোয়ায় নির্বাচন হবে। ভোটারদের প্রতি আমার আর্জি, আপনারা এগিয়ে এসে রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন এবং গণতন্ত্রের এই উৎসবকে আরও শক্তিশালী করে তুলুন।'

অন্যদিকে,  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও তিন রাজ্যের ভোট নিয়েই তিনটি আলাদা ট্যুইট করে বলেন,  গোয়ার উদ্দেশে লেখেন, 'গোয়ার ভাই-বোনেদের প্রতি আর্জি, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন। একমাত্র একটি স্থিতিশীল,  সিদ্ধান্তকারী ও দুর্নীতিমুক্ত সরকারই রাজ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে। তাই আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন এবং উন্নয়নের জন্য ভোট দিন'।

উত্তর প্রদেশের প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১০ ফেব্রুয়ারি। আজ দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, 'আপনাদের ভোটই রাজ্যের উজ্জ্বল ও  সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। তাই নিজেও ভোট দিন এবং অন্যদেরও ভোট দেওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা দিন।'

উল্লেখযোগ্যভাবে যে তিনটি রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে, প্রত্যেকটিতেই শাসক দলের ভূমিকায় রয়েছে বিজেপি। প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় কংগ্রেস। এছাড়াও আম আদমি পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেসের মতো আঞ্চলিক দলগুলিও।