০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে দরকারি নথি কুটিকুটি করেছে ইঁদুর ! মাথায় হাত নেতাদের

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ইঁদুর নিয়ে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি নেতারা।ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে নাস্তানাবুদ তারা।
বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে হেস্টিংসের ঝাঁ চকচকে বিল্ডিংয়ের চারটি ফ্লোর নিয়েছিল বিজেপি।

যাবতীয় কাজ হচ্ছিল সেখান থেকেই। কিন্তু নির্বাচনে ভরাডুবির পর হেস্টিংস ছেড়ে ফের মুরলীধর সেন লেনে ফিরেছে বিজেপির সদর কার্যালয়।সেখানে রয়েছে বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ ও অমিতাভ চক্রবর্তীর ঘর।

আরও পড়ুন: ভারতের মাটি ‘ঋষি-মুনিদের তপোভূমি’, ইউপি সনাতন ঐতিহ্যের ধারক: হিন্দুত্বে শান যোগীর

এতদিন সেভাবে খেয়াল না করে সেখানে গনেশের বাহন বেড়েছে ব্যাপকভাবে। সেইভাবে তাদের দিকে নজর দেওয়া হয়নি। ফলে দেদার তারা চালিয়েছে কাটাকুটির কাজ। বংশবিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে তারা মরচেও মাঝেমধ্যে। সেদিন হঠাৎই ইঁদুর মরার গন্ধ নাকে আসে কারও কারও। শুরু হয় তল্লাশি। আর তা করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে বিজেপি নেতাদের।

আরও পড়ুন: একতরফাভাবে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে: নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার


তাদের নজরে আসে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি কুটি কুটি করে কেটেছে ইঁদুরকুল। প্রয়োজন না পড়ে সেসব কাগজ দেখতেন না অনেকেই। কিন্তু সেসব কাগজ বের করতে গিয়ে মাথায় হাত পড়েছে পদ্মপার্টির নেতাদের।এখন কাগজপত্র বাঁচানো রীতিমতো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের কাছে।

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

দলের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ইঁদুর তাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্যা না মেটা পর্যন্ত স্বস্তি নেই নেতাদের। উল্লেখ্য, মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি কার্যালয়টি প্রায় ১০০ বছরের পুরনো। নিয়মিত সাফাই হলেও কাগজ পত্রের স্তুপ রয়েছে। সেই কারণেই দৌরাত্ম্য বেড়েছে ইঁদুরের।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধের দামামা: ইরানকে সহায়তায় এগিয়ে এল হাজার হাজার ইরাকি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে দরকারি নথি কুটিকুটি করেছে ইঁদুর ! মাথায় হাত নেতাদের

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ইঁদুর নিয়ে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি নেতারা।ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে নাস্তানাবুদ তারা।
বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে হেস্টিংসের ঝাঁ চকচকে বিল্ডিংয়ের চারটি ফ্লোর নিয়েছিল বিজেপি।

যাবতীয় কাজ হচ্ছিল সেখান থেকেই। কিন্তু নির্বাচনে ভরাডুবির পর হেস্টিংস ছেড়ে ফের মুরলীধর সেন লেনে ফিরেছে বিজেপির সদর কার্যালয়।সেখানে রয়েছে বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ ও অমিতাভ চক্রবর্তীর ঘর।

আরও পড়ুন: ভারতের মাটি ‘ঋষি-মুনিদের তপোভূমি’, ইউপি সনাতন ঐতিহ্যের ধারক: হিন্দুত্বে শান যোগীর

এতদিন সেভাবে খেয়াল না করে সেখানে গনেশের বাহন বেড়েছে ব্যাপকভাবে। সেইভাবে তাদের দিকে নজর দেওয়া হয়নি। ফলে দেদার তারা চালিয়েছে কাটাকুটির কাজ। বংশবিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে তারা মরচেও মাঝেমধ্যে। সেদিন হঠাৎই ইঁদুর মরার গন্ধ নাকে আসে কারও কারও। শুরু হয় তল্লাশি। আর তা করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে বিজেপি নেতাদের।

আরও পড়ুন: একতরফাভাবে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে: নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার


তাদের নজরে আসে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি কুটি কুটি করে কেটেছে ইঁদুরকুল। প্রয়োজন না পড়ে সেসব কাগজ দেখতেন না অনেকেই। কিন্তু সেসব কাগজ বের করতে গিয়ে মাথায় হাত পড়েছে পদ্মপার্টির নেতাদের।এখন কাগজপত্র বাঁচানো রীতিমতো দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের কাছে।

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

দলের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ইঁদুর তাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্যা না মেটা পর্যন্ত স্বস্তি নেই নেতাদের। উল্লেখ্য, মুরলীধর সেন লেনের বিজেপি কার্যালয়টি প্রায় ১০০ বছরের পুরনো। নিয়মিত সাফাই হলেও কাগজ পত্রের স্তুপ রয়েছে। সেই কারণেই দৌরাত্ম্য বেড়েছে ইঁদুরের।