২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘রেসকিউ রোবট’

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উন্নত রোবট তৈরি করে নজর কেড়েছে ৩ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী। এই রোবটটি মূলত একটি ‘রেসকিউ রোবট’ বা উদ্ধারকারী রোবট যা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা আহতদের দ্রুত খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এই রোবটের সহায়তায় ধ্বংসস্তূপের নিচে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে উদ্ধারকারীদের মৃত্যুঝুঁকি কমে আসবে বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে রামা, আহমদ ও ইউসুফ আকল রোবটটি তৈরি করেছে। রামা ও আহমদ আপন ভাই-বোন। তারা তিনজনই উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। সাধারণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামা ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবটটি তৈরি করেছে তারা। আরবিভাষী শিক্ষার্থীরা তাদের মাতৃভাষায় রোবটটির নাম দিয়েছে ‘রুবুত আল-ইনক্বাজ’ তথা ‘উদ্ধারকারী রোবট’। ওটার আকৃতি একটি ছোট বাক্সের মতো। চাকার ওপর ভর করে চলে। এটির ওপরে একটি ইলেকট্রনিক প্যানেল সংযুক্ত করা হয়েছে যা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রোবটটিকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ক্যামেরা ও সাইরেন বিশিষ্ট রোবটটি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটক আহত ব্যক্তির কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথেই অভিযানের সময় উদ্ধারকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্রমাগত বিশেষ সংকেত পাঠাতে থাকে। ওই ৩ প্রতিভাবান শিক্ষার্থী জানায়, গত বছরের মে মাসে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলার পর তাদের মাথায় রোবট তৈরির চিন্তা আসে।

আরও পড়ুন: ‘গণহত্যা বন্ধ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে ভারত সরকারকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে’, দাবি বামপন্থীদের
ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

শিশুদের সুরক্ষা: ১৫ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটছে পোল্যান্ড

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের তৈরি ‘রেসকিউ রোবট’

আপডেট : ১৪ জুন ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উন্নত রোবট তৈরি করে নজর কেড়েছে ৩ ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী। এই রোবটটি মূলত একটি ‘রেসকিউ রোবট’ বা উদ্ধারকারী রোবট যা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা আহতদের দ্রুত খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এই রোবটের সহায়তায় ধ্বংসস্তূপের নিচে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে উদ্ধারকারীদের মৃত্যুঝুঁকি কমে আসবে বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে রামা, আহমদ ও ইউসুফ আকল রোবটটি তৈরি করেছে। রামা ও আহমদ আপন ভাই-বোন। তারা তিনজনই উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। সাধারণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জামা ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবটটি তৈরি করেছে তারা। আরবিভাষী শিক্ষার্থীরা তাদের মাতৃভাষায় রোবটটির নাম দিয়েছে ‘রুবুত আল-ইনক্বাজ’ তথা ‘উদ্ধারকারী রোবট’। ওটার আকৃতি একটি ছোট বাক্সের মতো। চাকার ওপর ভর করে চলে। এটির ওপরে একটি ইলেকট্রনিক প্যানেল সংযুক্ত করা হয়েছে যা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রোবটটিকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ক্যামেরা ও সাইরেন বিশিষ্ট রোবটটি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটক আহত ব্যক্তির কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথেই অভিযানের সময় উদ্ধারকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্রমাগত বিশেষ সংকেত পাঠাতে থাকে। ওই ৩ প্রতিভাবান শিক্ষার্থী জানায়, গত বছরের মে মাসে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলার পর তাদের মাথায় রোবট তৈরির চিন্তা আসে।

আরও পড়ুন: ‘গণহত্যা বন্ধ ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে ভারত সরকারকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে’, দাবি বামপন্থীদের