০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও সিবিআই হেফাজতে শান্তিপ্রসাদ সিনহা,তদন্তে সাহায্য না করার অভিযোগ   

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ এসএসসি দুর্নীতি এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিন্‌‌হাকে আবারও হেফাজতে নিল সিবিআই।তবে শান্তিপ্রসাদকে ফের হেফাজতে চাওয়ার আবেদনে সিবিআইকে আদালতের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।প্রশ্ন-উত্তর পর্বের পর অবশেষে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্তও তাঁকে সিবিআই হেফাজতে পাঠান বিচারক।

 

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

এদিন সিবিআই এর পক্ষের  আইনজীবী বিচারককে জানান, এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে মূল ষড়যন্ত্রী হলেন প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিন্‌‌হা।তিনি অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে।তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।এবং তিনি সিবিআইকে তদন্তে কোনও প্রকার  সাহায্য করছেন না।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র পুর নির্বাচনে জয়ী গৌরী লঙ্কেশ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পাঙ্গারকর

 

আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে খুনের হুমকি মেইল, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ

এদিন বিচারকের পক্ষ থেকে জানানও হয়, আমি আর কতদিন এইভাবে তাঁকে সিবিআই হেফাজতে দেব।এতদিন  সিবিআই হেফাজতে ছিল তো!তাহলে তাঁকে দিয়ে কেন দোষ কবুল করাতে পারছে না সিবিআইয়ের মতো দক্ষ সংস্থা? অভিযুক্ত তো বলবেই সে নির্দোষ। তবে এই ঘটনা প্রথম নয় এর আগেও শান্তিপ্রসাদ ও অশোক সাহাকে সিবিআই হেফাজতে নিয়েছিলেন।  এসএসসি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এফআইআরে ১ নম্বরে শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং ৪ নম্বরে অশোক সাহার নাম থাকায় তাঁদের হেফাজতে নেয় সিবিআই।

 

ঘটনাচক্রে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বাগ কমিটির রিপোর্টে নাম ছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের। ভুয়ো নিয়োগপত্রে সই করার অভিযোগ তার। উল্লেখ্য, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আগেই ইডি গ্রেফতার করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দেরাদুনে বাস খাদে, ৩ জনের মৃত্যু

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আবারও সিবিআই হেফাজতে শান্তিপ্রসাদ সিনহা,তদন্তে সাহায্য না করার অভিযোগ   

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ এসএসসি দুর্নীতি এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিন্‌‌হাকে আবারও হেফাজতে নিল সিবিআই।তবে শান্তিপ্রসাদকে ফের হেফাজতে চাওয়ার আবেদনে সিবিআইকে আদালতের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।প্রশ্ন-উত্তর পর্বের পর অবশেষে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্তও তাঁকে সিবিআই হেফাজতে পাঠান বিচারক।

 

আরও পড়ুন: এক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ: কলকাতার একাধিক জায়গায় সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযান

এদিন সিবিআই এর পক্ষের  আইনজীবী বিচারককে জানান, এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে মূল ষড়যন্ত্রী হলেন প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিন্‌‌হা।তিনি অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে।তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।এবং তিনি সিবিআইকে তদন্তে কোনও প্রকার  সাহায্য করছেন না।

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র পুর নির্বাচনে জয়ী গৌরী লঙ্কেশ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পাঙ্গারকর

 

আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে খুনের হুমকি মেইল, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ

এদিন বিচারকের পক্ষ থেকে জানানও হয়, আমি আর কতদিন এইভাবে তাঁকে সিবিআই হেফাজতে দেব।এতদিন  সিবিআই হেফাজতে ছিল তো!তাহলে তাঁকে দিয়ে কেন দোষ কবুল করাতে পারছে না সিবিআইয়ের মতো দক্ষ সংস্থা? অভিযুক্ত তো বলবেই সে নির্দোষ। তবে এই ঘটনা প্রথম নয় এর আগেও শান্তিপ্রসাদ ও অশোক সাহাকে সিবিআই হেফাজতে নিয়েছিলেন।  এসএসসি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এফআইআরে ১ নম্বরে শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং ৪ নম্বরে অশোক সাহার নাম থাকায় তাঁদের হেফাজতে নেয় সিবিআই।

 

ঘটনাচক্রে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বাগ কমিটির রিপোর্টে নাম ছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের। ভুয়ো নিয়োগপত্রে সই করার অভিযোগ তার। উল্লেখ্য, এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আগেই ইডি গ্রেফতার করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে।