৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়ায় ফের তৃণমূল! ইঙ্গিত সাকেতের

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ৪ মে ২০২৫, রবিবার
  • / 391

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ফের গোয়ার নির্বাচনে লড়তে চলেছে তৃণমূল!  ২০২৭-এ গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনে ফের ময়দানে নামার ইঙ্গিত দিল ঘাসফুল শিবির। সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব জানায়, আগামী ২০২৭ নির্বাচনে গোয়ায় লড়ার কথা ভাবছে তৃণমূল। এই বছরের শেষের দিকে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তাঁরা। গোয়ায় বিরোধী দল কংগ্রেসের ওপর বিরক্ত সাধারণ মানুষ।  কারণ,  ২০১৭ সালে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ১৭ জন কংগ্রেস বিধায়ক নির্বাচিত হন। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলনেতা সহ দশ জন বিজেপিতে যোগ দেন। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও। জিতে আসা এগারো জন কংগ্রেস বিধায়কের মধ্যে আটজন বিজেপিতে যোগ দেন। দল বদলান খোদ বিরোধী দলনেতাও। সেখানকার মানুষ রাজ্য কংগ্রেসের ওপর বিরক্ত, অসন্তুষ্ট। তাই বিজেপিকে কড়া টক্কর দিতে গোয়ায় তৃণমূলের প্রয়োজন। সেই কথা মাথায় রেখেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে গোয়া তৃণমূল নেতৃত্ব।

বলা বাহুল্য, ২০২১ সালে গোয়ায় প্রদেশ শাখা তৈরি করে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২২ সালে সে রাজ্যে ভোটেও লড়ে। তবে এখন প্রশ্ন,  বাংলার শাসক দল হঠাৎ পশ্চিম ভারতের সাগরপাড়ে গেল কেন? তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখেলে ঘটনাপ্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করতে জানান, গোয়ার মানুষ প্রতারিত হতে হতে ক্লান্ত, তাই মানুষের কাছে বিকল্প পথের হদিশ দিতে তৃণমূল গোয়ায় গিয়েছে। দলটি গোয়ার জনগণের সেবা অব্যাহত রাখার এবং রাজ্যে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের জন্য পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গোয়ার মাটিতে বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই করার জন্য ভরসাযোগ্য বিরোধী প্রয়োজন। সেই ভূমিকা পালনে একমাত্র যোগ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তাঁর মতে, একদিন গোয়া পরিচালনা করবে গোয়ার নাগরিকেরা এবং গোয়া তৃণমূল। তৃণমূল গোয়ার উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আরও পড়ুন: নীতীশের ডেপুটি সম্রাট-বিজয়, ১৯ মন্ত্রীর মধ্যে ১০ মন্ত্রীই বিজেপির

 

আরও পড়ুন: ৭ রাজ্যের ৮ উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ৬ আসনে

 

 

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গোয়ায় ফের তৃণমূল! ইঙ্গিত সাকেতের

আপডেট : ৪ মে ২০২৫, রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ফের গোয়ার নির্বাচনে লড়তে চলেছে তৃণমূল!  ২০২৭-এ গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনে ফের ময়দানে নামার ইঙ্গিত দিল ঘাসফুল শিবির। সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব জানায়, আগামী ২০২৭ নির্বাচনে গোয়ায় লড়ার কথা ভাবছে তৃণমূল। এই বছরের শেষের দিকে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তাঁরা। গোয়ায় বিরোধী দল কংগ্রেসের ওপর বিরক্ত সাধারণ মানুষ।  কারণ,  ২০১৭ সালে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ১৭ জন কংগ্রেস বিধায়ক নির্বাচিত হন। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলনেতা সহ দশ জন বিজেপিতে যোগ দেন। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও। জিতে আসা এগারো জন কংগ্রেস বিধায়কের মধ্যে আটজন বিজেপিতে যোগ দেন। দল বদলান খোদ বিরোধী দলনেতাও। সেখানকার মানুষ রাজ্য কংগ্রেসের ওপর বিরক্ত, অসন্তুষ্ট। তাই বিজেপিকে কড়া টক্কর দিতে গোয়ায় তৃণমূলের প্রয়োজন। সেই কথা মাথায় রেখেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে গোয়া তৃণমূল নেতৃত্ব।

বলা বাহুল্য, ২০২১ সালে গোয়ায় প্রদেশ শাখা তৈরি করে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২২ সালে সে রাজ্যে ভোটেও লড়ে। তবে এখন প্রশ্ন,  বাংলার শাসক দল হঠাৎ পশ্চিম ভারতের সাগরপাড়ে গেল কেন? তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখেলে ঘটনাপ্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করতে জানান, গোয়ার মানুষ প্রতারিত হতে হতে ক্লান্ত, তাই মানুষের কাছে বিকল্প পথের হদিশ দিতে তৃণমূল গোয়ায় গিয়েছে। দলটি গোয়ার জনগণের সেবা অব্যাহত রাখার এবং রাজ্যে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের জন্য পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গোয়ার মাটিতে বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই করার জন্য ভরসাযোগ্য বিরোধী প্রয়োজন। সেই ভূমিকা পালনে একমাত্র যোগ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তাঁর মতে, একদিন গোয়া পরিচালনা করবে গোয়ার নাগরিকেরা এবং গোয়া তৃণমূল। তৃণমূল গোয়ার উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আরও পড়ুন: নীতীশের ডেপুটি সম্রাট-বিজয়, ১৯ মন্ত্রীর মধ্যে ১০ মন্ত্রীই বিজেপির

 

আরও পড়ুন: ৭ রাজ্যের ৮ উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ৬ আসনে