০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাড়ছে ‘জিকা’ আতঙ্ক, ভাইরাসের একটি গোষ্ঠীর সন্ধান কেরলে

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: করোনা সংকটের মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে জিকা ভাইরাসের দাপট। বুধবার কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ জানান, জিকা ভাইরাসের একটি গোষ্ঠী বা ক্লাস্টারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।  

প্রসঙ্গত, কেরলে চলতি মাসেই জিকা আক্রান্তের খোঁজ মেলে। তার পরেই এই রাজ্যে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রথমে ২৪ বছর বয়সী এক গর্ভবতী মহিলার শরীরে এই ভাইরাসের হদিশ মেলে। এর পরেই বাড়তে থাকে জিকা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। খুব কম সময়ের মধ্যে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩-এ। আক্রান্তরা প্রত্যেকেই তিরুবনন্তপুরমের বাসিন্দা।

বুধবার কেরলের নয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ একটি রিভিউ বৈঠকে জানান, তিরুবনন্তপুরমের আনায়রা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরেই জিকা ভাইরাসের গোষ্ঠীর সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এই সংক্রমণ রোধে সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজ্যের মানুষের অযথা চিন্তার কোনও কারণ নেই। বীণা জর্জ আরও জানান, এলাকায় মশার বিস্তার রুখতে সমস্ত এলাকায় গ্যাস প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া তিরুবনন্তপুরম জেলার মেডিক্যাল অফিসে একটি কন্ট্রোল রুমও তৈরি করা হয়েছে সাহায্য করার জন্য। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার চালাতে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাতের কলকাতায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, উৎসস্থল মায়ানমার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাড়ছে ‘জিকা’ আতঙ্ক, ভাইরাসের একটি গোষ্ঠীর সন্ধান কেরলে

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: করোনা সংকটের মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে জিকা ভাইরাসের দাপট। বুধবার কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ জানান, জিকা ভাইরাসের একটি গোষ্ঠী বা ক্লাস্টারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।  

প্রসঙ্গত, কেরলে চলতি মাসেই জিকা আক্রান্তের খোঁজ মেলে। তার পরেই এই রাজ্যে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রথমে ২৪ বছর বয়সী এক গর্ভবতী মহিলার শরীরে এই ভাইরাসের হদিশ মেলে। এর পরেই বাড়তে থাকে জিকা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। খুব কম সময়ের মধ্যে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩-এ। আক্রান্তরা প্রত্যেকেই তিরুবনন্তপুরমের বাসিন্দা।

বুধবার কেরলের নয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ একটি রিভিউ বৈঠকে জানান, তিরুবনন্তপুরমের আনায়রা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরেই জিকা ভাইরাসের গোষ্ঠীর সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এই সংক্রমণ রোধে সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজ্যের মানুষের অযথা চিন্তার কোনও কারণ নেই। বীণা জর্জ আরও জানান, এলাকায় মশার বিস্তার রুখতে সমস্ত এলাকায় গ্যাস প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া তিরুবনন্তপুরম জেলার মেডিক্যাল অফিসে একটি কন্ট্রোল রুমও তৈরি করা হয়েছে সাহায্য করার জন্য। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার চালাতে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে।