১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিভিশন বেঞ্চের রায় -‘প্রশ্ন ভূল মামলায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের পুরো নাম্বার’

পারিজাত মোল্লাঃকলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার জানিয়ে দেয় -‘২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের সব পরীক্ষার্থীকেই ৬ নম্বর করে দিতে হবে’ । মোট ছটি প্রশ্ন ভুল ছিল। এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে ভুল প্রশ্নের নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়েছেন অনেকেই।এবার কলকাতা হাইকোর্টের  বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, -‘প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে বাড়তি ৬ নম্বর দিতে হবে। তবে চাকরি কীভাবে দেওয়া হবে, তার সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ’।মোট ১১টি প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল।

এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করতে বলেছিলেন, প্রশ্নগুলি ভুল কি না? বিশ্বভারতী রিপোর্টে জানিয়েছিল, -‘ছটি প্রশ্ন ভুল ছিল’। মামলাকারীদের নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত । সেই নির্দেশের পর পর্ষদ ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়।অন্যদিকে, বসির আহমেদ নামে আর এক পরীক্ষার্থী নতুন একটি মামলা করেন। তাঁর দাবি ছিল, শুধুমাত্র মামলাকারীদের নয়, সবাইকেই নম্বর দিতে হবে।

বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন সেই আবেদন খারিজ করে দেন। মামলাকারী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলে, নির্দেশ দেওয়া হয় কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত সব মামলার শুনানি করে রায় দিতে হবে। আগেই হাইকোর্টে শেষ হয়েছে সেই শুনানি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় দেওয়া হল।

সাধারণত প্রশ্ন ভুল হলে, যাঁরা উত্তর দেওয়া চেষ্টা করেন, তাঁদের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে হাইকোর্টের বক্তব্য, অনেক পরীক্ষার্থী ভেবে থাকতে নেগেটিভ মার্কিং-এর কথা ভেবে প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেনি। তাই তাঁদের প্রত্যেককেই নম্বর দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়তে চলেছে। এক্ষেত্রে পর্ষদের জটিলতা আরও বাড়বে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডিভিশন বেঞ্চের রায় -‘প্রশ্ন ভূল মামলায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের পুরো নাম্বার’

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৩, শুক্রবার

পারিজাত মোল্লাঃকলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার জানিয়ে দেয় -‘২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের সব পরীক্ষার্থীকেই ৬ নম্বর করে দিতে হবে’ । মোট ছটি প্রশ্ন ভুল ছিল। এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে ভুল প্রশ্নের নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়েছেন অনেকেই।এবার কলকাতা হাইকোর্টের  বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, -‘প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে বাড়তি ৬ নম্বর দিতে হবে। তবে চাকরি কীভাবে দেওয়া হবে, তার সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ’।মোট ১১টি প্রশ্নকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল।

এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করতে বলেছিলেন, প্রশ্নগুলি ভুল কি না? বিশ্বভারতী রিপোর্টে জানিয়েছিল, -‘ছটি প্রশ্ন ভুল ছিল’। মামলাকারীদের নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত । সেই নির্দেশের পর পর্ষদ ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়।অন্যদিকে, বসির আহমেদ নামে আর এক পরীক্ষার্থী নতুন একটি মামলা করেন। তাঁর দাবি ছিল, শুধুমাত্র মামলাকারীদের নয়, সবাইকেই নম্বর দিতে হবে।

বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন সেই আবেদন খারিজ করে দেন। মামলাকারী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলে, নির্দেশ দেওয়া হয় কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত সব মামলার শুনানি করে রায় দিতে হবে। আগেই হাইকোর্টে শেষ হয়েছে সেই শুনানি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় দেওয়া হল।

সাধারণত প্রশ্ন ভুল হলে, যাঁরা উত্তর দেওয়া চেষ্টা করেন, তাঁদের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে হাইকোর্টের বক্তব্য, অনেক পরীক্ষার্থী ভেবে থাকতে নেগেটিভ মার্কিং-এর কথা ভেবে প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেনি। তাই তাঁদের প্রত্যেককেই নম্বর দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়তে চলেছে। এক্ষেত্রে পর্ষদের জটিলতা আরও বাড়বে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।