০১ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ানমার থেকে ৩০ হাজারের বেশি মিজো মিজোরামের আশ্রয়ে

ইমামা খাতুন
  • আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২২, সোমবার
  • / 95

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ মায়ানমারে সামরিক শাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই গত ১ বছর ধরে দলে দলে সে দেশের মিজো জনজাতির লোকজন পার্শ্ববর্তী মিজোরামে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। সরকারি হিসেব বলছে, মায়ানমারের চিন প্রদেশ থেকে এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজারেরও বেশি মিজো জনজাতির লোকজনকে আশ্রয় দিয়েছে মিজোরাম। এদের মধ্যে চারজন সাবেক জনপ্রতিনিধিত্ত রয়েছেন।

মিজোরামের এক সরকারি আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৯ জুলাই পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ৩০,৩১৬ জন শরণার্থী মিজোরামে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০,২৯৯ জনের প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কলকাতা ও মিজোরাম রেলপথ দ্বারা খুব শীঘ্রই সংযোগ হতে চলেছে

৩০,০৮৪ জনকে মিজোরাম সরকার থেকে শরণার্থী কাড দেওয়া হয়েছে। এই শরণার্থীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ১১,৭৯৮, আর মহিলার সংখ্যা ১০,০৪৭। ওই সরকারি কর্মকর্তা জানান, শরণার্থীদের যে পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে তা শুধু তাদের চিহ্নিত করার জন্য। কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তাঁরা পাবেন না।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইউনূসের ৭ প্রস্তাব

অনেকে মনে করছেন, মিজোরামে যারা মায়ানমার থেকে এসেছেন তাদের প্রায় সকলেই মিজো সম্প্রদায়ের মানুষ। সেই কারণে মিজোরাম সরকার তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা দিয়ে চলেছে। এমনকি অসমের বনাঞ্চলের জমি দখল করে তাদের জন্য নয়া বসতিও গড়ে দিচ্ছে ভবিষ্যতে তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুবিধা করতে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে প্রথম দফার ভোট ২৮ ডিসেম্বর , নজর রাখছে নয়াদিল্লি, চিন

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মায়ানমার থেকে ৩০ হাজারের বেশি মিজো মিজোরামের আশ্রয়ে

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২২, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ মায়ানমারে সামরিক শাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই গত ১ বছর ধরে দলে দলে সে দেশের মিজো জনজাতির লোকজন পার্শ্ববর্তী মিজোরামে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। সরকারি হিসেব বলছে, মায়ানমারের চিন প্রদেশ থেকে এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজারেরও বেশি মিজো জনজাতির লোকজনকে আশ্রয় দিয়েছে মিজোরাম। এদের মধ্যে চারজন সাবেক জনপ্রতিনিধিত্ত রয়েছেন।

মিজোরামের এক সরকারি আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৯ জুলাই পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ৩০,৩১৬ জন শরণার্থী মিজোরামে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০,২৯৯ জনের প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কলকাতা ও মিজোরাম রেলপথ দ্বারা খুব শীঘ্রই সংযোগ হতে চলেছে

৩০,০৮৪ জনকে মিজোরাম সরকার থেকে শরণার্থী কাড দেওয়া হয়েছে। এই শরণার্থীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ১১,৭৯৮, আর মহিলার সংখ্যা ১০,০৪৭। ওই সরকারি কর্মকর্তা জানান, শরণার্থীদের যে পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে তা শুধু তাদের চিহ্নিত করার জন্য। কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তাঁরা পাবেন না।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ইউনূসের ৭ প্রস্তাব

অনেকে মনে করছেন, মিজোরামে যারা মায়ানমার থেকে এসেছেন তাদের প্রায় সকলেই মিজো সম্প্রদায়ের মানুষ। সেই কারণে মিজোরাম সরকার তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা দিয়ে চলেছে। এমনকি অসমের বনাঞ্চলের জমি দখল করে তাদের জন্য নয়া বসতিও গড়ে দিচ্ছে ভবিষ্যতে তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুবিধা করতে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে প্রথম দফার ভোট ২৮ ডিসেম্বর , নজর রাখছে নয়াদিল্লি, চিন