উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলি : সুন্দরবনের মানুষ প্রাণ হাতে নিয়ে বাস করে।পেটের টানে জঙ্গলে মাছ, কাঁকড়া, মধু সংগ্রহে গিয়ে বাঘের আক্রমনের শিকার হয়।আর এ বার বাঘের আক্রমণে গুরুতর জখম ও নিহত পরিবারের সদস্যদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে চলেছে সুন্দরবনের কুলতলি ও মৈপীঠে।মুলত গাঙ্গেয় সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলি ব্লকের যে সমস্ত পরিবারের সদস্যরা নদীতে মাছ কাঁকড়া ও গভীর জঙ্গল থেকে মধু সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন,তাদেরকে নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানের দিশা দেখাতে এগিয়ে এলো কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে রাজ্য বন দফতর ও এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।সুন্দরবনের জঙ্গলে মাছ কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিকবার মৎস্যজীবীদের বাঘের আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে।
আর সেই সমস্ত মৎস্যজীবীদের কথা চিন্তা করে ভারত সরকারের সহযোগিতায় ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন বিভাগের উদ্যোগে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে সমবায়ের মাধ্যমে মৌমাছি পালনের মধ্যে দিয়ে মধু সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হলো কুলতলি ব্লকের মৈপীঠ উপকূল থানার গুড়গুড়িয়া ভূবনেশ্বরী অঞ্চলে।এ বিষয়ে মৎস্যজীবি পরিবারের এক গৃহবধু বলেন, অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে জঙ্গলে গিয়ে মাছ কাঁকড়া ধরে মধু সংগ্রহ করেও ঠিক ভাবে সংসার চালিয়ে নিতে পারছি না আমরা।তাঁর ওপর এই কাজে প্রতিক্ষনে বিপদ।জীবনের ঝুঁকি থাকছে। নদীতে আগের মত আর সেভাবে মাছ হয় না ধীরে ধীরে মাছ ও কমে গিয়েছে,তাঁর ওপর জঙ্গলে আগের মতো মধু পাওয়া যাচ্ছে না। গোলপাতা গরান কাটা বন্ধ।এছাড়া বারে বার বাঘের আক্রমণে আক্রান্ত থেকে মৃত্যু হচ্ছে। তাই এই বিকল্প কর্মসংস্থান হলে আমাদের অনেকটাই সুবিধা হবে।স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনেরতরফে জানানো হয় মধু উৎপাদন থেকে সেই মধু সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বাজার জাত করা হবে এবং বিপুল আয় হবে।এইসব মৎস্যজীবীদের পরিবাররা নিজের বাড়িতেই মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যার ফলে আগামী দিনে এদের জঙ্গলে গিয়ে উপার্জনের কথা মাথায় থাকবে না এবং বাঘের আক্রমণে হাত থেকে এরা বেঁচে যাবে।আরও খবর
সুন্দরবনে বাড়ল মাছরাঙার সংখ্যা
পর্যটকদের সুন্দরবনে বেড়ানোর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ সরকারের
সুন্দরবনের মাটিতে আপেল গাছ
লুপ্তপ্রায় ন্যাদোস মাছ ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ সুন্দরবনের
সর্বাধিক পাঠিত
করাচির পর লাহোরেও মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ
দিনহাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু
কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন এফ-১৫, কড়া জবাব দিচ্ছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: কলকাতা বিমানবন্দরে বাতিল একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান, দুর্ভোগে যাত্রীরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়, স্পষ্ট বার্তা লারিজানির
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়, স্পষ্ট বার্তা লারিজানির
বীরভূমে ‘SIR’ আতঙ্ক: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তকমা, মানসিক অবসাদে মৃত্যু যুবকের
বীরভূমে ‘SIR’ আতঙ্ক: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তকমা, মানসিক অবসাদে মৃত্যু যুবকের
বিজেপি ২ কোটি মুসলমানের নাম বাদ দিতে চাই, কিন্তু তারা সফল হবে না: হুঙ্কার অনুব্রত মণ্ডলের
বিজেপি ২ কোটি মুসলমানের নাম বাদ দিতে চাই, কিন্তু তারা সফল হবে না: হুঙ্কার অনুব্রত মণ্ডলের
ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তায় বাংলা: ১০ মার্চের মধ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তায় বাংলা: ১০ মার্চের মধ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী
বাংলার মানুষ জবাব দিতে তৈরি: 'সার' নিয়ে কমিশনকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর