লিওনেল মেসি। ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জেতার পাশাপাশি ফুটবল মাঠে যা কিছু জেতা সম্ভব, তিনি সবই জিতেছেন। বলা যেতে পারে, তার সমর্থকদেরও এখন নিজেদের প্রিয় তারকার কাছে নতুন করে কিছু চাওয়ার নেই। কেরিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে এখন তিনি শুধু ফুটবলটাকে উপভোগ করতে চান। তবে অনেকের প্রশ্ন, তিনি কি আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে আকাশি-নীলদের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন?
যা নিয়ে তার ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে কাজ করছে উৎকণ্ঠা। এ দিন মেসি নিজেই খোলসা করে জানালেন, বিশ্বকাপের আগে তিনি দেখবেন, কেমন অনুভব করছেন। শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকলেই জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমে পড়বেন আরও একটা বিশ্বকাপ ট্রফি জেতার জন্য।আরও পড়ুন:
ফুটবলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিম্পলমেন্ট ফুটবলকে এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেন, ‘আপনি যদি এখন থেকেই বিশ্বকাপ নিয়ে চিন্তা করেন, তাহলে সেটি অনেক দূর। তবে একইসঙ্গে, সময় খুব দ্রুত চলে যায়। তাই এই বছরটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
’ জুনে ৩৯ বছরে পা রাখবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এই বয়সে ফিফা বিশ্বকাপের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্টে তাল মিলিয়ে খেলা কতটা সম্ভব? এর উত্তরে মেসি আরও বলেন, ‘২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের আগে অনেক খেলা আছে। ওই ম্যাচগুলির মধ্যে আমি দেখব কেমন অনুভব করছি। বিশেষ করে আমি শারীরিকভাবে বিশ্বকাপ খেলার জন্য প্রস্তুত কি না? এ নিয়ে অবশ্য আমাকে সৎ থাকবে হবে। তার পরই নিজের লক্ষ্য স্থির করব।’ পিএসজির সঙ্গে মেসির চুক্তির মেয়াদের শেষের দিকে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তিনি নাকি বার্সেলোনায় ফেরার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে পরবর্তীতে তিনি ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেন। এ ব্যাপারে মেসি এ দিন বলেন, ‘আমি বার্সেলোনায় ফিরে যেতে চেয়েছিলাম। আমি সবসময় সেখানে থাকতে চেয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তা সম্ভব হয়নি। বার্সেলোনায় ফেরা যখন অসম্ভব হয়ে যায়, তখনই আমি আমার পরিবার মিয়ামি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’