পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: যুদ্ধে লিপ্ত থাকার কারণে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে (world football) ইসরাইলকে বয়কটের ডাক দিয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ। ইউক্রেনে আক্রমণের পর রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বর্বরতা চালিয়ে যাওয়ার পরও ইসরাইল দিব্যি খেলে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ হানাদার বাহিনীর দলকে আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল কাপ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে অনেকেই।
আরও পড়ুন:
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে রক্তপিপাসু নেতানিয়াহু সহদর ট্র্যাম্প।
জানিয়েছেন, ইসরাইলকে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ না করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন তিনি। বলা বাহুল্য, ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা থেকে স্থগিত করতে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা এবং ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার প্রতি আহ্বান জানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল।আরও পড়ুন:
এ প্রসঙ্গে মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক জানায়, “আমরা অবশ্যই সর্বাত্মকভাবে কাজ করব, যাতে ইসরাইলকে জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করার কোনও প্রচেষ্টা সফল না হয়।” উল্লেখ্য, আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের বেশিরভাগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকাতে। ইতিমধ্যে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য বাছাইপর্বে খেলছে নেতানিয়াহুর দেশ।
আরও পড়ুন:
গাজায় ইসরাইলের সহিংস আক্রমণ ও গণহত্যার প্রতিবাদে দেশটিকে ফুটবল থেকে প্রথম থেকেই নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল ফিলিস্তিন। পরবর্তীতে ওই তালিকায় যোগ হয় স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগালের মত দেশগুলো। একইসঙ্গে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশ ইসরাইলকে সকল ধরনের ফুটবলীয় কার্যক্রম থেকে বহিষ্কারের জন্য ফিফার কাছে চিঠি দিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
তবে গাজা ইস্যুতে এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ফিফার এমন দ্বিমুখী নীতিতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন খোদ স্পনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো স্যাঞ্চেস। তিনি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়াকে তড়িঘড়ি নিষিদ্ধ করা হলেও ইসরাইলের বেলায় চুপ কেন? বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, ট্র্যাম্পকে নোবেল পাইয়ে দিতে নেতানিয়াহুর বারবার সুপারিশের 'উপহার' স্বরূপ ইসরাইলকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাঁচিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা।