পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ গুজরাটের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার গুজরাট থেকে কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধি থাকবে না। আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেস গুজরাট থেকে কোনও প্রার্থী দিতে না পারায় এই রাজ্যের ৪ টি রাজ্যসভা আসনই বিজেপির দখলে আসতে চলেছে। 

বর্তমানে গুজরাট থেকে কংগ্রেসের একমাত্র রাজ্যসভা সাংসদ রয়েছেন শক্তি সিং গোহিল। এই মাসের ২১ তারিখে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর তারপর গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের আর কোনও প্রতিনিধি থাকছে না।

উল্লেখ্য, গুজরাটে চারটি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচন নির্ধারিত থাকলেও প্রার্থীর সংখ্যা আসনের সমান হওয়ায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে বিজেপির চার প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। এর আগে এই রাজ্যের আরও ৭ রাজ্যসভা সাংসদ রয়েছে। তাঁরা সকলেই বিজেপির। এর ফলে রাজ্য থেকে রাজ্যসভার মোট ১১টি আসনের সবকটিই বিজেপির দখলে চলে যাচ্ছে। ফলে রাজ্যসভায় বিজেপির শক্তি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
 

প্রসঙ্গত, একসময় গুজরাটে কংগ্রেস ছিল অন্যতম প্রধান শক্তি। কিন্তু, বিজেপি ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করেছে। সেইসঙ্গে জনসমর্থনও বাড়িয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যে পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে। সেখানেও বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে সাফল্য পেয়েছে। শহর থেকে গ্রাম গুজরাটে  সর্বত্র বিজেপির সংগঠন মজবুত।

আর এবার রাজ্যসভাতেও বিজেপি শক্তিশালি হল গুজরাটে। এদিকে, রাজ্যসভার সাংসদ নিয়ে মধ্যপ্রদেশে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সেখানে কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, নির্বাচনের আগে তাদের বিধায়কদের ভাঙানোর চেষ্টা হতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই দলের বিধায়কদের একটি অংশকে কর্নাটকে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, বিরোধী শিবিরের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর প্রভাব বিস্তার করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিধায়কদের একত্রে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।