পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ এক মাস হল রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। তার মধ্যেই ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যে ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়ার পর একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের। দলের কাউন্সিলররা পদত্যাগ করছেন। আজ দুপুরেই কলকাতা পুরসভার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। আর এবার কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পুরসভা হাতছাড়া তৃণমূলের।

মেখলিগঞ্জ পুরসভার পুরপ্রধান প্রভাত পাটনি তৃণমূল ছাড়লেন। তিনি যোগ দিলেন কংগ্রেসে। সেই সঙ্গে তৃণমূলের আরও ৫ কাউন্সলির যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে। এরফলে স্বাভাবিকভাবেই হাত শক্ত হল কংগ্রেসের। 

উল্লেখ্য, মেখলিগঞ্জ পুরসভায় মোট আসন রয়েছে নটি। এরমধ্যে আগে ৮ জন কাউন্সিলরই ছিলেন তৃণমূলের, অন্য একজন যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি।

তবে এখন মোট ৬ জন কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় স্বাভাবিকবভাবেই পুরসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হল হাত শিবির। ফলে পুরসভা কংগ্রেসের দখলে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

শুক্রবার তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে পুরপ্রধান বলেন, তৃণমূলে থেকে লড়াই করা সম্ভব নয়। তার কারণ দল এখন অন্দরের লড়াই সামলাতেই ব্যস্ত। তাই এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তবে তৃণমূল ছাড়লেও বিজেপিকে নিশানা করেছেন তিনি।

প্রভাত বলেন,  আগামীদিনে কংগ্রেসের হাত আরও শক্ত করে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। একইসঙ্গে দল ছাড়ার আগে তিনি তৃণমূলের নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেননি বলে জানান। তাঁর কথায়, দল এখন আলোচনার অবস্থায় নেই। এবিষয়ে দলের জেলা তৃণমূল সভাপতি কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। কেউ যদি দল ছেড়ে যেতে চান তাহলে আটকে রাখা যায় না।  জলিল বলছেন, বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর লড়াই করে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। যদিও এনিয়ে সতর্ক করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের নেতাদের কথায়, কেউ দুর্নীতি করে অন্য দলে আশ্রয় নিয়ে যদি মনে করেন নিজেকে বাঁচাতে পারবেন, তা কিন্তু হবে না।