পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ বুধবার ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক। সেই বৈঠকে একে একে হাজির হলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ একাধিক বিধায়ক। এনিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে। কেন এই বৈঠকে যোগদান? তা স্পষ্ট করলেন কুণাল ঘোষ।
উল্লেখ্য, এদিনই ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়কের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি জমা পড়েছে বিধানসভার স্পিকারের কাছে।আরও পড়ুন:
গতকাল ধর্মতলায় ছিল তৃণমূলের ধরনা কর্মসূচী। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘশ, ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। আর একদিন পরেই বুধবার রাজ্য রাজনীতিতে দেখা গেল একেবারে উল্টো ছবি। একদিকে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের চিঠি, অন্যদিকে মমতাপন্থী বিধায়করায় যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে।
এদিন নবান্নের সভাঘরে চলছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক। কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রশাসনিক বৈঠক চলছে সেখানে। জানা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে বিরোধী শিবিরের বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এদিন তৃণমূল বিধায়করা বৈঠকে যোগ দেন। উল্লেখ্য, বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহী বিধায়করা এই মুহূর্তে নিজেদের নতুন তৃণমূল ব্লক বলে দাবি করছে । ঋতব্রত আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিদ্রোহী বিধায়করা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। তবে সেটা জানা থাকলেও মমতা ঘনিষ্ঠ বিধায়করা যে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তা অনুমান করতে পারেননি রাজনৈতিক মহলের অনেকেই। এদিন প্রথমে কুণাল ঘোষকে দেখা যায়, তারপর দেখা যায় নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে। যদিও নবান্নে ঢোকার সময় কুণাল জানিয়েছেন, তিনি একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে ডেকেছেন তাই একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি নবান্নে এসেছেন।