পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সোনারপুরে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই হামলা, রিগিং, ভোট পরবর্তী হিংসা, এসআইআর-সহ একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে রানি রাসমণি রোডে ধর্নার ডাক দিয়েছিলেন মমতা  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভার পর এদিনই তৃণমূলের প্রথম কর্মসূচী ছিল। মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন বিধায়ককে নিয়েই এদিন রাস্তায় নামেন মমতা। কিন্তু, সেই কর্মসূচীতে উত্তেজনা তৈরি হয়।

ফলে মাঝপথে ভাষণ থামিয়ে দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।  

আজ মঙ্গলবার দুপুরে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন মমতা। পরে রেড রোডে বিআর আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ। এছাড়াও ছিলেন বিধায়ক দোলা সেন, অসীমা পাত্র প্রমুখ।

তাঁরা সকলেই ওয়াই চ্যানেলে ধরনা করছেন। এছাড়াও রয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অশোক দেবের মতো নেতারা। তৃণমূলের ধরনা ঘিরে সেখানে রয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। তবে কর্মসূচী শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেখানে অবস্থিত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়।
ধাক্কাধাক্কি হয়। পালটা পুলিশের বিরুদ্ধে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সরব হন। এনিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয় ফলে মমতাকে মাঝপথে ভাষণ থামাতে হয়েছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের সংযত থাকতে বলেন। 

এদিনের কর্মসূচীতে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়ে বলেন, তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সেই চেষ্টা সফল হবে না বলে জানান মমতা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়ক থেকে শুরু করে কাউন্সিলর, দলের প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মমতার বার্তা, তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন।