বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বহুমুখী চাপের মুখে পড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধীরে ধীরে একটি ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজছেন—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মার্কিন বিশ্লেষক নিয়াল স্ট্যানেজ।
আল জাজিরা-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্ট্যানেজ বলেন, এই যুদ্ধ শুরু থেকেই মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে খুব একটা জনপ্রিয় ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
বিশেষ করে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় জনমনে চাপ তৈরি হয়েছে।

স্ট্যানেজের মতে, এই “অর্থনৈতিক যন্ত্রণা” এবং তার রাজনৈতিক মূল্য দিতে মোটেই আগ্রহী নন ট্রাম্প।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছেন, যাতে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করা যায়। আবার বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো কৌশলগত বিভ্রান্তি তৈরির অংশও হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে সময়সীমা ঘিরে। ট্রাম্পের দেওয়া নতুন ডেডলাইন শেষ হওয়ার সময়ের সঙ্গেই মিলছে অতিরিক্ত মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাব্য সময়সূচি। এই সমাপতনকে “রহস্যজনক” বলে মন্তব্য করেছেন স্ট্যানেজ।
বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউস এখন এক কঠিন দ্বিমুখী চাপে রয়েছে—একদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চাপ, অন্যদিকে সামরিক কৌশল বজায় রাখার প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্পের পরবর্তী সিদ্ধান্তই ঠিক করে দেবে এই সংঘাতের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে।