পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক :
এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭০০ নম্বরের মধ্যে ৬৮৮ নম্বর পেয়ে নজর কেড়েছে সে। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই পরিবার, স্কুল এবং এলাকাজুড়ে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।
তামিম জানায়, পড়াশোনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে পড়ায় সে কখনও বিশ্বাস করত না। তার মতে, “কতক্ষণ পড়ছি সেটা বড় কথা নয়, ধারাবাহিকভাবে পড়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” ছোট থেকেই পড়াশোনাকে ভালোবেসেই এগিয়েছে সে।

সব বিষয়ই তার প্রিয় হলেও বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়গুলির প্রতি তার আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। তার সবচেয়ে প্রিয় বিষয় পদার্থবিদ্যা। পাশাপাশি গণিতের প্রতিও ছোটবেলা থেকেই গভীর আগ্রহ রয়েছে।
ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে তামিম। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য আগামী দিনে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে চায় সে এবং এমবিবিএস পড়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে।
তবে শুধুমাত্র চিকিৎসাবিজ্ঞানেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না এই মেধাবী ছাত্র। পাশাপাশি জেইই পরীক্ষাতেও বসার পরিকল্পনা রয়েছে তার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি— দুই ক্ষেত্রেই নিজের দক্ষতা যাচাই করতে চায় তামিম।
পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে তার। বিশেষ করে ফুটবল খেলতে খুব ভালোবাসে সে।
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোও তার পছন্দের অন্যতম বিষয়। পড়াশোনা এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখেই এই সাফল্য অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে তামিম।
তামিমের এই সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে তার পরিবার ও শিক্ষকদের। তার বাবা কৃষ্ণনগর হাই স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক এবং মা দত্তপুলিয়ার একটি বিদ্যালয়ের অঙ্ক শিক্ষিকা। শিক্ষক পরিবারে বেড়ে ওঠায় ছোট থেকেই পড়াশোনার পরিবেশ পেয়েছে তামিম। ছেলের এই সাফল্যে অত্যন্ত খুশি বাবা-মা-সহ গোটা স্কুল।