পুবরে কলম ওয়েব ডেস্কঃ আপলিটে ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে দাঁড়ালনে কলকাতা হাইর্কোটরে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। সুপ্রিম র্কোটে পদত্যাগপত্র পাঠানোর পাশাপাশি কলকাতা হাইর্কোট নির্বাচন কমশিনকেও তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি জাআনিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সুত্রের খবর, ব্যক্তগিত কারণ দেখিয়েই ট্রাইব্যুনাল ছেড়েছেন অবসরপ্রাপ্ত  প্রধান বিচারপতি। পারবিারকি সমস্যার কারণইে এই সিধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। চলতি বছররে গত ৫ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল র্পযন্ত ট্রাইব্যুনালের কাজ করেছেন তিনি।

মোট ১৭৭৭ জন ভোটাররে নিষ্পত্তি করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যে কয়েকজনের আলাদাভাবে নিষ্পত্তি করা হয় সেগুলি করেছিলেন হাইকোর্টের এই অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিচারাধীন ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রায় ২৭ লক্ষ নাগরিকের আবেদনের নিষ্পত্তি করছে ট্রাইব্যুনাল। মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে, যেগুলির মাথায় আছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপরি ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। একটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় ছিলেন শিবজ্ঞানম।

শুধু তাই নয়, ট্রাইবুনালরে বিচারপতিরা কোন পদ্ধতি মেনে আবেদন নিষ্পত্তি করবেন তা ঠিক করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ওই কমিটিতে ছিলেন কলকাতা হাই র্কোটরে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম। তিনি ছাড়াও ওই কমিটিতে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। শিবজ্ঞানমের ইস্তফার ফলে নতুন করে ওই পদে অন্য কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়োগ করতে হবে।

আপাতত ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে তবে ভোটরে পর নতুন করে কতজনের নামের নিষ্পত্তি হল, সেই  সংখ্যা সামনে আসেনি।

সুপ্রিম কোর্ট চলতি বছরের গত ১০ র্মাচ এই নির্দেশ দেয়। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয় ২০ র্মাচ। কমশিন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কলকাতা হাইকোর্টের ১৯ জন অবসারপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টটিউটে ট্রাইব্যুনাল বসছে। উল্লখ্যে, র্শীষ আদালত সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে জানিয়েছিল, প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ২৩ এপ্রিল ভোট হওয়ার আগে ২১ এপ্রিল  র্পযন্ত বাদ পড়া যে ভোটারদরে আবদেন স্বীকৃতি পাবে তাঁদের নাম র্সবশষে ভোটার তালকিায় উঠবে। দ্বিতীয় দফার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল।