পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার তথা 'সিংঘম' নামে পরিচিত পুলিশ অফিসার অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে এবার মামলা দায়ের হলেও হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্টে। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, শেষ দফার ভোটের আগে পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ হবে না।
আরও পড়ুন:
ভোটার ও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অজয়ের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় হাইকোর্টের হসক্ষেপ চেয়ে অজয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আর্জি জানানো হয়। তবে কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে।
বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানান, মামলা দায়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। ফলে হাইকোর্টে মামলার শুনানি হয়নি। তবে বিচারপতি অবস্থান স্পষ্ট করে জানান, ভোটের আগে পর্যন্ত নির্বাচনের কাজের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না। যা হবে ভোটের পর। এই সময়ে কোনও আধিকারিককে নিয়ে কোনও রকমের অভিযোগ থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেন বিচারপতি।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, শেষ দফার আগে দায়মন্ড হারবারের পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পালকে ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই বাড়ছে।
অজয় পাল উত্তর প্রদেশের 'সিংঘম' নামেই পরিচিত। শেষ দফার ভোট ঘিরে রাজ্যে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন অজয় পাল। উল্লেখ্য, ভাঙড়, ক্যানিং, মিনাখাঁ, বাসন্তীর মতো একাধিক এলাকায় বারংবার রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের নাম করে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, "মন দিয়ে শুনুন, অশান্তির চেষ্টা করা হলেই এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কান্নাকাটি করেও লাভ হবে না।" এক্র একটি ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি পুবের কলম ডিজিটাল) প্রকাশ করে তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।আরও পড়ুন:
তৃণমূলের অভিযোগ, "যার নিজের বিরুদ্ধেই দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং মহিলাদের সাথে প্রতারণার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে দিয়ে বাংলার একটা হাই-প্রোফাইল জেলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোর দায়িত্ব দিল নির্বাচন কমিশন!" এতে নির্বাচন আদৌ স্বচ্ছ হবে তো? তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক লাস্যময়ীর সঙ্গে ফুর্তিতে মত্ত ‘সিংঘম’! মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে উত্তরপ্রদেশের ডিআইজি-কে কটাক্ষ করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও। ফলে অজয়কে নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই বাড়ছে।