পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি  পাকিস্তান। দেশটি বিদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।  বাণিজ্যে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থাতেও চলতি বছরে করাচিতে নির্মাণাধীন শওকত খানম ক্যানসার হাসপাতাল চালুর ঘোষণা করেছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

এক পোস্টে ইমরান বলেন, ‘নির্মাণ শিল্পের মুখোমুখি সব চ্যালেঞ্জ এবং ক্যান্সার যন্ত্র আমদানিতে অসুবিধা সত্ত্বেও শওকত খানম হাসপাতাল মাশাল্লাহ এই বছরের শেষের দিকে চালু হবে।
’ করাচির শওকত খানম মেমোরিয়াল ট্রাস্ট লাহোরের হাসপাতালের দ্বিগুণ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন হবে।

এছাড়া হাসপাতালটি অত্যাধুনিক ক্যানসার চিকিৎসার সরঞ্জামে সজ্জিত হবে। ক্যানসারের কারণে নিজের মাকে হারিয়েছেন ইমরান। তাই মায়ের স্মৃতিতে তিনি তৈরি করেন পাকিস্তানের প্রথম ক্যানসার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। নাম শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যানসার হাসপাতাল।
১৯৯৪ সালে লাহোরে গড়ে ওঠা এই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৬০০।

এই হাসপাতালটির বৈশিষ্ট্য হল, এখানে ৭৫ শতাংশ ক্যানসার রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। শুধু লাহোরেই নয়, একইভাবে পেশোয়ারেও এই শওকত খানম মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অধীনে নির্মাণ করা হয় আরেকটি ক্যানসার হাসপাতাল। এসব হাসপাতালের প্রায় ৭০ শতাংশ চিকিৎসাই হয় অসহায় দরিদ্রদের।

এই স্বপ্নপূরণের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ইমরানের আত্মবিশ্বাস।
ইমরান যখন সিদ্ধান্ত নেন তিনি পাকিস্তানে ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল তৈরি করবেন তখন অনেকেই বিশ্বাস করেনি। কিন্তু তিনি দমে যাননি।

মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের লাহোরে প্রতিষ্ঠা করেন শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যানসার হসপিটাল এবং গবেষণা কেন্দ্র। এই হাসপাতালেরই তৃতীয়  শাখা নির্মাণ হচ্ছে করাচিতে। সেই হাসপাতালটিই চলতি বছরের মধ্যে চালু করার কথা জানালেন ইমরান খান।