অপরাজিতা জোয়ারদার,  রায়গঞ্জ: বিজেপি যুব মোর্চার ডাকা ৮ ঘন্টার বনধ সর্বোতভাবে ব্যর্থ হল জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। উল্লেখ্য, রবিবার পূর্বপরিচিত বন্ধুদের গুলিতে খুন হন উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব মোর্চার সহ সভাপতি মিঠুন ঘোষ। ঘটনায় রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে আসরে নেমে পরে বিজেপি। ঘোষণা করা হয় ৮ ঘন্টা বনধের। যদিও পুলিশ তদন্তে ইতিমধ্যেই পরিস্কার করেছে এই খুনের সাথে রাজনৈতিক কোনো যোগাযোগ নেই।

 বরং মৃত যুবমোর্চা নেতা মিঠুন ঘোষ নিজেরাই আগ্নেয়াস্ত্র দেখার সময়, আচমকাই গুলি চলে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় সন্তোষ মহন্ত ওরফে মুখিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত সন্তোষ পুলিশি জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। অপর  হামলাকারী  সুকুমার ঘোষের খোঁজে তল্লাশি চলছে। তবুও শুধু রাজনৈতিক রঙ লাগাতে নানা পরিকল্পনা করে চলছে বিজেপি, এমনই কথা জানালেন ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন।
 মঙ্গলবার জেলা সদর রায়গঞ্জ শহরের রাস্তায়  সরকারি বাস চললেও আবহাওয়া খারাপ থাকায় রাস্তায় দেখা যায়নি  বেসরকারি যাত্রীবাহী বাস। বনধকে ঘিরে জেলায়  যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি  তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। লক্ষ্মী পুজোর কারণে স্বাভাবিক ভাবেই খোলা ছিলো দোকানপাটও। বনধের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার ব্যবসায়ীরাও। বিজেপির পক্ষে বনধের ডাক দেওয়া হলেও রাস্তায় পিকেটিং করতেও তেমনভাবে লক্ষ্য করা যায় নি কোনো বনধ সমর্থককে।