ইনামুল হক, বসিরহাটঃ বাগুইআটির দুই ছাত্র খুনের ২৪ দিন পরে মূল পান্ডা সত্যেন্দ্রকে দিয়ে সিআইডির আধিকারিকরা দেহ উদ্ধারের  ঘটনাস্থলে গিয়ে পুননির্মাণ করালো। উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট দুই ছাত্রের  নিখোঁজ হওয়ার  ১৪ দিন পর বসিরহাট জেলা পুলিশ মর্গে ৬  সেপ্টেম্বর মৃতদেহ শনাক্ত করেছিলেন মৃতের পরিবারের লোকজন।কীভাবে  দুষ্কৃতিরা দুই ছাত্রকে মেরে একটি চারচাকা গাড়িতে  এনে  বাসন্তী হাইওয়ের কুলটি ও রাজবাড়ির শিরিষতলা তলায় ফেলেছিল তার পুুুননির্মান করলো খুনের মূলপাণ্ডা সত্যেন্দ্র।

সিআইডির ফরেনসিক ফিঙ্গার বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে মাটি রক্ত নমুনা সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি স্যাম্পেল টেস্ট করেছে।

এলাকায় দড়ি দিয়ে চিহ্নিত করেছে। বুধবার বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ  সত্যেন্দ্র ও আর এক দুস্কৃতিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিআইডি আধিকারিক ও পুলিশ।

দশম শ্রেণীর ছাত্র অতনু দে ও  অভিষেক নস্করকে  কিভাবে গাড়ি করে এনেছিল, গাড়ির মধ্যে কীভাবে দড়ি দিয়ে  শ্বাসরোধ   করে খুন করেছিল, তারপর কোন সময় অতনু দের মৃতদেহ বাসন্তী হাইওয়ের  কুলটির মেছোঘেরি,  অপর ছাত্র অভিষেকের দেহ নেজাটের রাজবাড়ি শিরিষতলার  মেছোঘেরির পাশে কীভাবে ফেলেছিল তা  সিআইডি আধিকারিক ও পুলিশের সামনে পুনর্নির্মাণ করে দেখায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র।

মূল মাস্টার মাইন্ড সত্যেন্দ্র চৌধুরী সহ মোট পাঁচ দুষ্কৃতী কীভাবে এই দুই ছাত্রকে খুন করেছিল তারপরে গাড়ি করে কোথায় কোথায় ফেলা হয়েছিল কিভাবে রাখা হয়েছিল পুরোটাই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ ও  সিআইডির সামনে পুননির্মাণ করে দেখায় তারা। গোটা পুননির্মাণ ক্যামেরাম্যান করা হয়।সব মিলিয়ে বাগুইহাটি ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় নড়েচড়ে পড়েছে রাজ্য প্রশাসন।