আসিফ রেজা আনসারী: আগামী শনিবার, ৭ জুন দেশের অন্যান্য শহরের মতো কলকাতাতেও পালিত হবে পবিত্র ঈদ-উল আযহা। পবিত্র এই পরব উপলক্ষ্যে ধর্মপ্রাণ মুসলিম সমাজ যেমন নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব সারছে, তেমনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্যের উপর বিশেষ নজর রাখছে কলকাতা পুরনিগম।
আরও পড়ুন:
শহর কলকাতার যে সমস্ত এলাকায় কুরবানি হয়ে থাকে, সেই সমস্ত জায়গায় বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন উৎসব আবহে পুর-প্রশাসনের তরফে নানান ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
দুর্গাপূজা হোক কিংবা বড়দিন, ঈদ হোক বা নবরাত্রি, সব ক্ষেত্রেই পুর-প্রশাসনের তরফে নাগরিকদের বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করা হয়।
কোথাও মানুষ যাতে সমস্যায় না পড়েন সেটা যেমন দেখা হয়, একইসঙ্গে জনস্বাস্থ্যের বিষয়েও বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আর তারই অংশ হিসেবে এবারের ঈদ-উল আযহা উপলক্ষ্যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরনিগমের স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে কোন কোন জায়গায় কুরবানি হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। যে সমস্ত জায়গায় কুরবানি হবে, সে সমস্ত জায়গায় অতিরিক্ত ভ্যাট, আবর্জনা পরিষ্কারের গাড়ি ইত্যাদি রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ধর্মীয় রীতি মেনে কুরবানির কাজ শেষ হলেই তৎক্ষণাৎ সেই জায়গা পরিষ্কারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, সবকিছুর অ্যারেঞ্জমেন্ট হয়ে গিয়েছে। যে সমস্ত জায়গায় আবর্জনা জমা হয়। যেখানে বেশি করে কম্প্যাক্টর দিয়েছি। অতিরিক্ত গাড়ি দেওয়া হয়েছে।
শহর কলকাতার কোথাও জনস্বাস্থ্যের বিষয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ফিরহাদ হাকিম। তিনি আরও বলেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ (এসডব্লিউএম) সবকিছু খতিয়ে দেখছে। ডিজে নিজে তদারকি করছেন। এ সমস্ত বিষয়ে কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে বলে জানান ফিরহাদ হাকিম।আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, কলকাতার ১৬টি বরোর বিভিন্ন ওয়ার্ডে আলাদা আলাদা করে জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৪৪টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে ২৪৫টি কন্টেনারের ব¨োবস্ত করা হয়েছে। পুরকর্মীরা সদা তৎপর থাকবেন। অন্যান্য উৎসবের সময় যেমন oুততার সঙ্গে কাজ করা হয়, তেমনি এবারের ঈদ-উল আযহা উৎসবের সময় একইভাবে নাগরিক পরিষেবা দেবে পুর-প্রশাসন।