ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোজতবা খামেনি। দেশটির বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাঁকে এই পদে নির্বাচিত করেছে। তাঁর নির্বাচনের পর ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনী প্রকাশ্যে তাঁর প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী মোজতবা খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছে, তারা তাঁর প্রতি ‘আন্তরিক ও আজীবন আনুগত্য’ বজায় রাখবে। পাশাপাশি তারা জানায়, নতুন সর্বোচ্চ নেতার সব নির্দেশ মেনে চলতে এবং তা বাস্তবায়নে তারা সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে ইসলামি ব্যবস্থার অগ্রযাত্রা থেমে থাকে না এবং এই বিপ্লব ও রাষ্ট্রব্যবস্থা কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
এরই মধ্যে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তাঁকে ‘ন্যায়পরায়ণ, জ্ঞানী, ধর্মপ্রাণ ও বিচক্ষণ নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, তাঁকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে বিশেষজ্ঞ পরিষদ বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
মোজতবা খামেনি প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দ্বিতীয় ছেলে।
তাঁর বয়স ৫৬ বছর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তাঁর স্ত্রী, মোজতবা খামেনির স্ত্রী এবং এক বোন নিহত হন। তবে সেই সময় মোজতবা খামেনি হামলার স্থানে উপস্থিত ছিলেন না।গত কয়েক বছর ধরেই বাবার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম আলোচনা হচ্ছিল। তাঁর বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায় আট বছর ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং পরে প্রায় ৩৭ বছর ধরে দেশটির সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন।