০২ মার্চ ২০২৬, সোমবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়, স্পষ্ট বার্তা লারিজানির

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো ধরনের সমঝোতা বা আলোচনায় যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
ওমানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের পুনরায় আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লারিজানি লেখেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করব না।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান কঠোর অবস্থানেই রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িকী দ্য আটলান্টিক-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরান আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলার জন্য প্রস্তুত। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তবে তাদের এটা আগেই করা উচিত ছিল।”
দুই পক্ষের বিপরীতমুখী বক্তব্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আলোচনার সম্ভাবনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: করাচির পর লাহোরেও মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ
ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বীরভূমে ‘SIR’ আতঙ্ক: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ তকমা, মানসিক অবসাদে মৃত্যু যুবকের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়, স্পষ্ট বার্তা লারিজানির

আপডেট : ২ মার্চ ২০২৬, সোমবার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান কোনো ধরনের সমঝোতা বা আলোচনায় যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
ওমানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের পুনরায় আলোচনায় বসার সম্ভাবনা নিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লারিজানি লেখেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করব না।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান কঠোর অবস্থানেই রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িকী দ্য আটলান্টিক-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরান আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলার জন্য প্রস্তুত। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তবে তাদের এটা আগেই করা উচিত ছিল।”
দুই পক্ষের বিপরীতমুখী বক্তব্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আলোচনার সম্ভাবনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: করাচির পর লাহোরেও মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ