পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ মালদার মোথাবাড়ি কাণ্ডে নয়া মোড়। এই মামলায় আরও ৪ জনকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এরমধ্যে রয়েছেন মিমের প্রার্থী মোস্তাহিদ হক। এরফলে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭২ জন। অভিযোগ উঠেছে, এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের সঙ্গে তাঁরা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।

 

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট এনআইএকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, দ্রুত তদন্ত শেষ করতে হবে। এরজন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ২ মাস। সেই সঙ্গে তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার চার্জশিট জমা দেয় এনআইএ। জানা গিয়েছে, কলকাতা নগর ও দায়রা আদালতে এই ঘটনা সংক্রান্ত ১২ টি মামলার মধ্যে ৪ টি মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছে এনআইএ।

এরমধ্যে দুটি মামলায় অভিযুক্ত হিসবে নাম রয়েছে আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামের। এছাড়াও একরামুল বাদানির নামও আছে। বাকি দুটি মামলায় মোট ২৫ জনের নাম রয়েছে। চার্জশিটে প্রতক্ষ্যদর্শীদের সাক্ষ্যের পাশাপাশি ডিজিটাল এবং প্রজুক্তিগত প্রমাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযুক্তদের কি ভূমিকা ছিল ঘটনার দিন, কি অভিযোগ ছিল তা চার্জশিটে জানানো হয়েছে।
 

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে গত এপ্রিল মাসে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদার মোথাবাড়ির পাশাপাশি সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারক গিয়েছিলেন কালিয়াচক-২ ব্লকে। কিন্তু,উত্তেজিত জনতা ব্লক অফিসের ভিতরে রাত পর্যন্ত তাঁদের আটকে রাখে। তা নিয়ে ক্রমেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই বিষয় গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, সিবিআই বা এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। সেই মতো কমিশন তদন্তভার এনআইএর হাতে দেয়। এই ঘটনায় ১২টি এফআইআর দায়ের হয়েছে।