পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার হামলার জবাবে কিয়েভ পাল্টা লৌহ আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। ইউক্রেন জানিয়েছে, মস্কো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রথম বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়ার দখল করা জমি পুনরুদ্ধারে বিশাল স্থল হামলার প্রস্তুতি শেষ করেছে কিয়েভ। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেস্কি রেজনিকভ বলেন, ‘পশ্চিম থেকে পাওয়া অস্ত্রগুলো রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে সহায়তা করবে।
মস্কোর দখল করা ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পুনরুদ্ধার করতে চায় ইউক্রেন বাহিনী। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী পাল্টা আক্রমণের জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে।’ এখনও পর্যন্ত ১৪ মাসের মাথায় সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছে পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাখমুতের আশেপাশে। যুদ্ধটি একটি জটিল সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন:
কিয়েভ পশ্চিমের পাঠানো শত শত ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কারণ তারা দক্ষিণ ও পূর্বের অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধার করতে চায়, যা মস্কোর দখলে রয়েছে। শুক্রবার সকালে মস্কো ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি ঝরায় ইউক্রেনে। এতে ২৫ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে। তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা রাশিয়ার ছোঁড়া ২৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ২১টিই ভূপাতিত করেছে। মস্কো জানিয়েছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে অসামরিক মানুষকে টার্গেট করছে না। ফ্রন্টলাইন থেকে দূরে শহরগুলোতে হামলা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
শত্রুসেনাদের ভয় দেখানোই এ হামলার উদ্দেশ্য। রুশ হামলার লক্ষ্যস্থল ছিল ইউক্রেনীয় রিজার্ভ সেনাঘাঁটি। এদিকে, রাশিয়ার অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের একটি জ্বালানি তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিনা রক্তপাতে রুশ বাহিনীর দখল করা উপদ্বীপটির গভর্নর জানিয়েছেন, এটি একটি ড্রোন হামলা। শনিবার চালানো এই হামলায় তেল শোধনাগারে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। প্রাথমিক তথ্য বলছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সম্ভবত ড্রোন হামলার কারণে।