পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সোমবার পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয় কাশ্মীর বিধানসভায়। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে পর্যটকদের সুরক্ষার দায় ভার নিজের কাঁধে তুলে নিলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। হামলার দায় কাঁধে নিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে গোটা ঘটনায় ব্যথিত বলে জানান ওমর আবদুল্লা। পহেলগাঁও হামলাকে হাতিয়ার করে কখনই কাশ্মীরের পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা চাইবেন না বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন: Pahalgam terror attack: ভারত বিরোধী প্ররোচনায় নিষিদ্ধ পাকিস্তানের ১৬টি ইউটিউব চ্যানেল
আরও পড়ুন:
সোমবার কাশ্মীর বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে ওমর বলেন, "পহেলগাঁও হামলা গোটা দেশকে প্রভাবিত করেছে।
গত ২১ বছরে এমন হামলা দেখেনি বৈসরন। মৃতদের পরিবারকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব আমি জানি না।" তিনি আরও বলেন, "পর্যটকদের নিরাপদে ফিরিয়ে দেওয়া আমার কর্তব্য ছিল। কিন্তু আমি সেটা করতে পারিনি। ক্ষমা চাওয়ার ভাষাও আমার নেই।" দীর্ঘ ১০ বছর পরে ২০২৪ সালে কাশ্মীরে নির্বাচন হয়। ইন্ডিয়া জোটের সমর্থনে নির্বাচনে জেতে ন্যাশনাল কনফারেন্সে দল। মুখ্যমন্ত্রী হন ওমর আবদুল্লা। তারপরেই পহেলগাঁও হামলায় রক্তাক্ত হল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি। কিন্তু কাশ্মীরের সেনা বা পুলিশ কোনও কিছুর উপরেই কাশ্মীর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। তারপরও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিজের ব্যর্থতা মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।আরও পড়ুন:
এদিন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, "পহেলগাঁও হামলাকে ব্যবহার করে মোটেও কাশ্মীরের অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবি করা হবে না।
" তিনি আরও বলেন, “পহেলগাঁও হামলার পর আমি কোন মুখে কাশ্মীরের জন্য পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা দাবি করব? আগে আমরা এই দাবি করেছি, আগামী দিনেও করব। কিন্তু এখন যদি কেন্দ্রের কাছে গিয়ে আমাদের রাজ্যের মর্যাদা দাও দাবি করি তাহলে সেটা আমার পক্ষে খুবই লজ্জাজনক হবে। আমার রাজনীতি কি এতই সস্তা?” উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করে কেন্দ্রীয় সরকার। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকেই অঙ্গরাজ্যের স্বীকৃতি চেয়ে সুর চড়িয়েছে কাশ্মীর। ২০২৪ সালে কাশ্মীরে নির্বাচন হলেও পূর্ণরাজ্যের স্বীকৃতি এখনও মেলেনি ভূস্বর্গের।