পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: সোস্যাল মিডিয়ায় (social media) কত লোক কতকিছু লিখে পোস্ট করে। অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (Ashoka University professor) আলি খান মাহমুদাবাদ অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন বলে তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে পুরে দায়রা আদালতে চার্জ গঠন পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছিল। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) হস্তক্ষেপে তিনি জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সোমবার আবার সুপ্রিম কোর্ট হরিয়ানার দায়রা আদালতকে বলল, অধ্যাপক মাহমুদাবাদের (Ashoka University professor) বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা যাবে না এখন। চার্জশিট পেশ করাও যাবে না।
বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির এক বেঞ্চ এদিন বলে, সুপ্রিম কোর্ট হরিয়ানা পুলিশের যে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছিল সেই তদন্ত দল মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে দুটি এফ আই আর এর মধ্যে একটি বন্ধ করে দিয়েছে।আরও পড়ুন:
অধ্যাপক মাহমুদাবাদের আইনজীবী কপিল সিব্বাল বলেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ (ভারতীয় ন্যায়সংহিতার ১৫২ ধারা) আনা দুর্ভাগ্যজনক। আবার চার্জশিট পর্যন্ত পেশ হয়েছে! তখন বিচারপতিরা সিব্বালকে বলেন, আপনি চার্জশিট পড়ে ওঁর বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে তা পরবর্তী শুনানির আগে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করুন। বিচারপতিরা বলেছেন, এফ আই আর নিয়ে কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন:
♦ অধ্যাপক মাহমুদাবাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা যাবে না : সুপ্রিম কোর্ট
আরও পড়ুন:
মাহমুদাবাদকে গত ১৮ মে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায়সংহিতার ১৫২, ৩৫৩, ৭৯, ১৯৬(১) ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট ২১ মে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। তাঁর গ্রেফতার নিয়ে শিক্ষাবিদরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। অধ্যাপক মাহমুদাবাদ বলেন, এ এক নতুন ধরনের সেন্সরশিপ চালু হয়েছে দেশে।