পুবের কলম প্রতিবেদক: রাজ্য রাজনীতিতে ভাঙড়ের নাম বারবার উঠে এসেছে। বাম শাসনের সময় থেকেই ভাঙড়ের নাম সংবাদ শিরোনামে। একদা ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল ইসলামের দাপট কমেছে। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক দল আইএসএফের উত্থান ঘটেছে ভাঙড়ের মাটিতে। এই কেন্দ্রে জয়ী হয় আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী।
আরও পড়ুন:
২০২১ সালে ভাঙড়ের মাটিতে পটপরিবর্তনের পর থেকে বারবার সংঘর্ষে জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফের কর্মী-সমর্থকরা। সেই তালিকায় আরও একটি সংযোজন ২০২৩ গ্রাম পঞ্চায়েত ভোট। পঞ্চায়েত ভোটের প্রক্রিয়া শুরুর দিন থেকে বোমাবাজি-গুলি চলেছে ভাঙড়ে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল ও আইএসএফের দুই পক্ষের একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ভাঙড় পরিদর্শনেও যান রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আন¨ বোস।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে অশান্ত ভাঙড়কে শান্ত করতে বড় প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে চলেছে রাজ্যসরকার। ভাঙড়ের আইনশৃঙ্খলায় আরও জোর দিতে কলকাতা পুলিশের আওতায় আনার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আরও পড়ুন:
আলিপুর বডিগার্ড লাইনে বুধবারের এক অনুষ্ঠানে ভাঙড়ে কলকাতা পুলিশের আলাদা ডিভিশন গড়ার কথা ঘোষণা করলেন। এদিন আলাদা ডিভিশন গড়তে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে নির্দেশ দেন। রাজ্যের ডিজি মনোজ মালব্যকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন।
শুধুমাত্র তৃণমূল-আইএসএফের মধ্যে সংঘর্ষই নয়, হিংসার মধ্যে পুলিশের উপরেও হামলা হয়েছে।আরও পড়ুন:
ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। পঞ্চায়েত ভোট পরর্বতী সময়েও বোমাবাজি প্রায়ই চলছে। ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এখনও ভাঙড়ে ঢুকতে পারেননি। হিংসার পরিবেশ থেকে ভাঙড়কে বের করতে কলকাতা পুলিশের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছে ওয়াকিফহাল মহল।
Vandalism, Kolkata Police