পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের এক বছর আগেই রাজ্যে বড়সড় জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে তিনি জানান, রাজ্যজুড়ে চালু হচ্ছে নতুন সরকারি প্রকল্প ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা, যা ইতিমধ্যেই বরাদ্দ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। লক্ষ্য একটাই—প্রত্যেক বুথে গিয়ে মানুষের সমস্যার সরাসরি সমাধান করা।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের প্রতিটি পাড়ার ছোটখাটো দৈনন্দিন সমস্যা—যেমন জলের কল বসানো, কাঁচা রাস্তা মেরামত, বিদ্যুতের খুঁটি বসানো, স্কুলের ছাদ সারানো ইত্যাদিকে দ্রুত সমাধানের জন্য এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে।
এক কথায়, তৃণমূল স্তরে জনসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে এই প্রকল্প।আরও পড়ুন:
‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের মূল দিকগুলি:
আরও পড়ুন:
রাজ্যে মোট ৮০ হাজার বুথ রয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রতিটি তিনটি বুথে একটি করে সেন্টার গঠন করা হবে।
আরও পড়ুন:
সেন্টারগুলিতে ক্যাম্প হবে, যেখানে সরকারি আধিকারিকরা সরাসরি সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনবেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিটি বুথের জন্য ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রকল্পের সমস্ত পর্যায়ে নজরদারি চালাবে একটি টাস্ক ফোর্স, যার নেতৃত্বে থাকবেন মুখ্যসচিব।
আরও পড়ুন:
অর্থসচিব সহ বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ আমলারা থাকবেন এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে।
আরও পড়ুন:
২ অগস্ট থেকে রাজ্যজুড়ে প্রকল্পটি চালু হচ্ছে, এবং শেষ করতে সময় লাগবে দুই মাস।
আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের প্রতিটি বুথে গিয়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় স্তরে জনসংযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। অতীতে গ্রামবাংলার ভরপুর সমর্থন পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সেই ভাবনা থেকেই এবার তিনি আরও গভীরে গিয়ে জনতার পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।আরও পড়ুন:
এটি নিছক প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং তা রাজনৈতিক দিক থেকেও তৃণমূলের একটি কৌশলী চাল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। নির্বাচনের আগে এটি হতে পারে তৃণমূলের ‘ডোর টু ডোর কানেকশন’ কৌশল—যার মাধ্যমে একদিকে যেমন মানুষের সমস্যার বাস্তব সমাধান হবে, অন্যদিকে নির্বাচনী জনসংযোগও নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে জানান, গোটা দেশে এর আগে এমন কোনও প্রকল্প হয়নি। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল—নিচু স্তর পর্যন্ত সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া ও সরাসরি প্রতিক্রিয়া নেওয়া।