১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশদ্রোহের মামলায় জামিন চেয়ে দিল্লির আদালতে শারজিল ইমাম

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  দেশদ্রোহের মামলায় জামিন চেয়ে দিল্লির আদালতে শাহিনবাগ প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তথা জেএনইউ-এর গবেষক শারজিল ইমাম।

সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভের সময় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার অভিযোগে শরজিলের বিরুদ্ধে দেশের পাঁচ রাজ্যে দেশদ্রোহ-সহ একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।  অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারও হন তিনি। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি।

এদিনের আবেদনে শারজিল বলেন , তিনি বিচারবিভাগীয়  হেফাজতে ইতিমধ্যেই ৩ বছর ৬ মাস অতিক্রম করেছেন। সুতরাং ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৩৬-এর অধীনে তিনি জামিন যোগ্য অধিকারি। এমনকি শর্ত মেনে জামিন পেতেও ইচ্ছুক তিনি। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর কারকড়ডুমা আদালতের এই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা।

২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের আনা নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দেশের একাধিক প্রান্তে সংঘর্ষের ছবি দেখা যায়। তার মধ্যেই দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলার সময়ে বক্তব্য রাখেন শারজিল। তাতে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যায় জেএনইএউয়ের এই গবেষকের মুখে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা, ছাব্বিশের আগে পাহাড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দেশদ্রোহের মামলায় জামিন চেয়ে দিল্লির আদালতে শারজিল ইমাম

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২৩, মঙ্গলবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  দেশদ্রোহের মামলায় জামিন চেয়ে দিল্লির আদালতে শাহিনবাগ প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা তথা জেএনইউ-এর গবেষক শারজিল ইমাম।

সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভের সময় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার অভিযোগে শরজিলের বিরুদ্ধে দেশের পাঁচ রাজ্যে দেশদ্রোহ-সহ একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।  অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতারও হন তিনি। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি।

এদিনের আবেদনে শারজিল বলেন , তিনি বিচারবিভাগীয়  হেফাজতে ইতিমধ্যেই ৩ বছর ৬ মাস অতিক্রম করেছেন। সুতরাং ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৩৬-এর অধীনে তিনি জামিন যোগ্য অধিকারি। এমনকি শর্ত মেনে জামিন পেতেও ইচ্ছুক তিনি। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর কারকড়ডুমা আদালতের এই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা।

২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের আনা নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। দেশের একাধিক প্রান্তে সংঘর্ষের ছবি দেখা যায়। তার মধ্যেই দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলার সময়ে বক্তব্য রাখেন শারজিল। তাতে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করতে শোনা যায় জেএনইএউয়ের এই গবেষকের মুখে।