০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পদে সোনালির পুনর্নিয়োগ বৈধ নয়, হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্টে

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনর্নিয়োগ বৈধ নয় বলে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।

তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। এবার সেই রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্টও।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ফের সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুনর্নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। যা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল সেই নিয়োগ বৈধ নয়। তারপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য।

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

সেই মামলায় ‘খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখা হয়। কলকাতা উচ্চ আদালত রায়ে বলেছিল, এইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় পছন্দের লোক বসানো যায় না।

সুপ্রিম কোর্ট সব শুনে একই মত জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও হিমা কোহলির বেঞ্চ চূড়ান্ত রায়ে জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায় ছিল সঠিক ও আইনত যথাযথ। রাজ্য সরকার উপাচার্যের এক্তিয়ারে দখলদারি ঠিক নয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের আগস্ট মাসে কলকাতা-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই সময়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনকর এই নিয়োগে অনুমতি দেননি।

রাজভবনের সিলমোহর ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য।

হাইকোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল, এই নিয়োগ বেআইনি। রাজভবনকে এড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করার অর্থ সাংবিধানিক পদ, প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি অস্বীকার করা।

মামলাকারীর পিটিশনে উল্লেখ করা হয়, একটা গণতান্ত্রিক দেশের রাজ্য সরকার যদি সাংবিধানিক বিধিকে লঙ্ঘন করে, রাজ্যপাল তথা রাজভবনকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাথায় পছন্দের লোক বসায়, তাহলে সেখানে সংকট অনিবার্য। সেই মতকেই মান্যতা দিয়েছিল আদালত।

প্রসঙ্গত, এই উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্যের সঙ্গে সংঘাতের পরেই রাজ্য সরকার নতুন বিল আনে, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হবেন পদাধিকার বলে মুখ্যমন্ত্রী। যা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক রয়েছে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

৩৮ জন জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পদে সোনালির পুনর্নিয়োগ বৈধ নয়, হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্টে

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনর্নিয়োগ বৈধ নয় বলে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।

তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। এবার সেই রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্টও।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ফের সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুনর্নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। যা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল সেই নিয়োগ বৈধ নয়। তারপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য।

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

সেই মামলায় ‘খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখা হয়। কলকাতা উচ্চ আদালত রায়ে বলেছিল, এইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় পছন্দের লোক বসানো যায় না।

সুপ্রিম কোর্ট সব শুনে একই মত জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও হিমা কোহলির বেঞ্চ চূড়ান্ত রায়ে জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায় ছিল সঠিক ও আইনত যথাযথ। রাজ্য সরকার উপাচার্যের এক্তিয়ারে দখলদারি ঠিক নয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের আগস্ট মাসে কলকাতা-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই সময়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনকর এই নিয়োগে অনুমতি দেননি।

রাজভবনের সিলমোহর ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য।

হাইকোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল, এই নিয়োগ বেআইনি। রাজভবনকে এড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করার অর্থ সাংবিধানিক পদ, প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি অস্বীকার করা।

মামলাকারীর পিটিশনে উল্লেখ করা হয়, একটা গণতান্ত্রিক দেশের রাজ্য সরকার যদি সাংবিধানিক বিধিকে লঙ্ঘন করে, রাজ্যপাল তথা রাজভবনকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাথায় পছন্দের লোক বসায়, তাহলে সেখানে সংকট অনিবার্য। সেই মতকেই মান্যতা দিয়েছিল আদালত।

প্রসঙ্গত, এই উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্যের সঙ্গে সংঘাতের পরেই রাজ্য সরকার নতুন বিল আনে, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হবেন পদাধিকার বলে মুখ্যমন্ত্রী। যা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক রয়েছে।