পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: চার ঘণ্টা ধরে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং। আলোচনায় উঠে এল ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই দেশের সামরিক পর্যায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ছয় বছর পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছেন শি জিনপিং। তারপরই মুখোমুখি বৈঠক করেছেন মার্কিন ফ্রেসিডেন্টের সঙ্গে।
বাইডেন জানিয়েছিলেন, 'এই বৈঠকের আসল উদ্দেশ্য একে অপরকে ভালো করে জানা ও বোঝা।' মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আরও জানিয়েছেন, 'অতীতে তিনি ও শি সবসময় যে সহমত হয়েছেন এমন নয়। এই বৈঠকের পরেও তাইওয়ান নিয়ে মতভেদ থেকে গেছে। শির সঙ্গে যে আলোচনা হয়েছে তাকে আমি সত্যিকারের মূল্য দিই।'আরও পড়ুন:
সান ফ্রান্সিসকোর ঠিক বাইরে এই বৈঠক হয়।
দুই দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য বাইডেন ও শি একমত হয়েছেন। চিনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জানিয়েছেন, 'তিনি ও বাইডেন উচ্চ পর্যায়ে সামরিক আলোচনা শুরু করতে একমত হয়েছেন। এই আলোচনা হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও একটি যৌথ সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।'আরও পড়ুন:
বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসা করা হয় তিনি কি এখনও জিনপিংকে ‘একনায়ক’ বলেই মনে করেন?
এর উত্তরে বাইডেন স্পষ্ট বলেন, “ওনাকে দেখে তাই মনে হয়। জিনপিং একজন একনায়ক, কারণ তিনি চিনের মতো একটি কমিউনিস্ট দেশ শাসন করছেন।” তিনি আরও বলেন, “চিনের সরকার আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।” এদিনের বৈঠকে আমেরিকাকেও খোঁচা দিতে পিছপা হননি চিনের প্রেসিডেন্ট। তাইওয়ান প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দেন জিনপিং।