পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: পহেলগাঁও ইস্যুতে বিশেষ অধিবেশন চেয়ে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধীরা। এদিন পহেলগাঁও নিয়ে ফের সরব হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তিনি পহেলগাঁও নিয়ে পাঁচটি প্রশ্ন করেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইট কীর্তি আজাদ, সুস্মিতা দেব, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শশী পাঁজা, ব্রাত্য বসুরা রিটুইট করে কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন।
আরও পড়ুন:
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন প্রশ্ন তোলেন, চার সন্ত্রাসী কীভাবে সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে ২৬ জন নিরীহ নাগরিককে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছিল। জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দায় কার সে নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি। পহেলগাঁও ঘটনা যদি গোয়েন্দা ব্যর্থতা হয়, তাহলে কেন গোয়েন্দা ব্যুরো প্রধানের মেয়াদ এক বছরের বাড়ানো হয়েছিল তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন করেন অভিষেক।
জঙ্গি হামলার মাত্র এক মাস পরে জবাবদিহি করার বদলে কেন তাঁকে ‘পুরস্কৃত’ করা হল তা নিয়ে সরব হন অভিষেক।আরও পড়ুন:
ভারত সরকার অভিষেক-সহ বিরোধী নেতাদের, সাংবাদিক, বিচারকদের বিরুদ্ধে পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। সেক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদীদের নেটওয়ার্ক এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে তেমন কিছু ব্যবহার করতে বাধা কী? সেই প্রশ্নও তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ। পহেলগাঁও ঘটনার এক মাস পরেই কেন পাকিস্তানকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাস দমন কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হল তা জানতে চেয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন তিনি। নরেন্দ্র মোদি সরকার গত ১০ বছরে বিদেশনীতিতে ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে বলে খবর। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের বিদেশনীতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পহেলগাঁও হামলায় অভিযুক্ত চার সন্ত্রাসবাদী কোথায়? তারা জীবিত নাকি মৃত? সেই বিষয়ে কেন কেন্দ্রীয় সরকার কোনও স্পষ্ট বিবৃতি দিচ্ছে না? কেন এই নীরবতা? পাক অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর ভারত কবে পুনরুদ্ধার করবে? সেই প্রশ্নও এদিন তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্রাম্প বাণিজ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করিয়েছিলেন, কেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন রাষ্ট্রপতির এই দাবির জবাব দেয়নি?
কেন দেশের মানুষের আবেগকে অবহেলা করা হয়েছিল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক।আরও পড়ুন:
পহেলগাঁও হামলার পর ভারত সরকার ৩৩টি দেশে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে পাকিস্তানের সন্ত্রাসে মদত নিয়ে বার্তা দেয়। সেই প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন। সেই সফরের পর কতগুলি দেশ ভারতকে স্পষ্ট সমর্থন করেছে, সেই বিষয়ে জানতে চেয়েছেন অভিষেক। অভিষেকের আরও প্রশ্ন, “আমরা যদি সত্যিই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হই, তাহলে পহেলগাঁও হামলার পরপরই কেন আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্ক পাকিস্তানকে ১ বিলিয়ন এবং ৪০ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ অনুমোদন করেছিল? সীমান্ত সন্ত্রাসবাদে বারবার জড়িত একটি দেশ কীভাবে কেবল আন্তর্জাতিক তদন্ত এড়াতে পারেনি, বরং পুরস্কৃতও হয়েছিল?”
It has been over 55 DAYS since the PAHALGAM terror attack. It is deeply concerning that in a democracy neither the mainstream media, members of the opposition, nor the judiciary has stepped forward to raise these five critical questions before the Government of India. However, as…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) June 16, 2025