উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: সুন্দরবনে জাল জন্ম শংসাপত্র তৈরি করে গ্রেফতার পঞ্চায়েতের এক অস্থায়ী কর্মী।টাকার বিনিময়ে জাল সার্টিফিকেট তৈরি হচ্ছে সুন্দরবনে। একটি, দুটি কিংবা দশটি নয়।৩৫০০ জন্ম সার্টিফিকেট জাল করা হয়েছে সুন্দরবনের একটি মাত্র পঞ্চায়েত থেকেই।
অভিযোগ পেয়েই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের পাঠানখালি পঞ্চায়েতে চুক্তি ভিত্তিক ভাবে কাজ করতেন গৌতম সরদার নামে এক যুবক। টাকার বিনিময়ে দিনের পর দিন পঞ্চায়েত থেকে জাল সার্টিফিকেটের কারবার ফেঁদে বসেছিল।
দিব্যি চলছিল জাল ব্যবসা।আরও পড়ুন:
গত ২৩ এপ্রিল পাঠানখালি পঞ্চায়েতের তরফে গোসাবা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক কর্মী বটতলির বাসিন্দা গৌতম সরদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে এমন ঘটনা পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন:
পঞ্চায়েত প্রধান সুচিত্রা ভূঁইয়া জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থানা থেকে একটি চিঠি পাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন যে,তাঁর দফতরে বসে জাল জন্ম সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী গৌতম সরদার। ঘটনা সামনে আসতেই গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে গত ২৩ এপ্রিল গোসাবা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গৌতম সরদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এখনও পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার জাল জন্ম সার্টিফিকেট তৈরি হয়েছে বলে খবর।আরও পড়ুন:
গৌতম সরদার পঞ্চায়েতের দফতরে বসে এভাবে দিনের পর দিন দুর্নীতি করতো এবং জাল জন্ম সার্টিফিকেট তৈরি করতো। আর সেই জন্ম সার্টিফিকেট দিয়ে তৈরি হতো পাসপোর্ট।তবে এই ঘটনায় কিছুই জানতেন না তার পরিবার। এমনটাই জানালেন গৌতম সরদারের দাদা গোবিন্দ সরদার।
আরও পড়ুন:
সুত্রের খবর পাসপোর্ট জালিয়াতির ঘটনায় গার্ডেনরীচ, একবালপুর, ভবানীপুর থানা এলাকা থেকে যেকজন গ্রেফতার হয়েছে,প্রত্যেকে সাথে গৌতমের যোগসুত্র রয়েছে।উল্লেখ্য বর্তমানে গৌতম সরদার কলকাতাপুলিশের তদন্তের আওতায় রয়েছে।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এই ঘটনার পিছনে আর কে বা কারা জড়িত রয়েছে?আরও পড়ুন:
শুধু গৌতম সরদার নাকি তার পিছনে আরো অন্য কেউ রয়েছে?গোটা ঘটনার তদন্ত করছে তদন্তকারী অফিসাররা।উল্লেখ্য সুন্দরবনের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী লাগোয়া এলাকা গোসাবা ব্লক। আর এই ব্লকের পাঠানখালী গ্রাম পঞ্চায়েতে তৈরি হতো জাল জন্ম সার্টিফিকেট। চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসনের।তবে পুলিশের তদন্তে আর কারা যুক্ত তাদের নাম সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।