পুবের কলম প্রতিবেদক: ২৪-এর আগে ২৩-এর পঞ্চায়েত ভোট তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কার্যত সেমিফাইনাল। ইতিমধ্যেই এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। অন্যান্য দলও তাদের মত করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যাচাইয়ে নেমেছে। এই অবস্থায় পিছিয়ে নেই তৃণমূলও।
আরও পড়ুন:
দলের বিভিন্ন সংগঠনকে সংঘটিত করে ময়দানে রয়েছে তৃণমূলও। তবে সেই লড়াইয়ের ঝাঁজ বাড়াতে এবার ময়দানে নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উৎসবের মরশুম শেষে আবার পুরো দমে কর্মসূচি শুরু করছেন তিনি। প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি জোর দিচ্ছেন দলীয় বৈঠকেও। এখনো পর্যন্ত যা ঠিক রয়েছে তাতে আগামী বুধবার থেকে আবার জেলায় জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই তিনি যাবেন কৃষ্ণনগর।আরও পড়ুন:
এখনো পর্যন্ত যতটুকু সূচি পাওয়া গিয়েছে তাতে আগামী ৮ নভেম্বর কৃষ্ণনগর যাওয়ার কথা তাঁর। পরদিন অর্থাৎ ৯ তারিখ সেখানে রাজনৈতিক জনসভায় অংশ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী।
১০ তারিখ রানাঘাটের হবিবপুরে নদিয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠক। তারপর তিনি ফিরবেন কলকাতায়।আরও পড়ুন:
এই সফরে আগামী ৯ তারিখ রাজনৈতিক জনসভাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। ওই মঞ্চ থেকে বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের সামনে নিজের বার্তা তুলে ধরবেন তৃণমূল নেত্রী। সেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে কি বার্তা তিনি দেন সেদিকে নজর সকলের।
আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক মহলের অনুমান, এই সভা থেকেই পঞ্চায়েত ভোটে দলীয় নেতাকর্মীদের পূর্ণ উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ার বার্তা দেবেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, বর্তমান রাজ্য রাজনীতিতে জোর আলোচনা, ডিসেম্বর মাস নিয়ে। শুভেন্দু অধিকারী-সুকান্ত মজুমদারের কথায় ওপর ভিত্তি করে তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে ডিসেম্বর মাসের সরকার ফেলে দিতে পারে বিজেপি। ইতিমধ্যেই সদ্য সম্পন্ন হওয়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় দলের বিধায়ক ও আমলাদের অশান্তির আশঙ্কা করে সতর্ক থাকতে বলেছেন এবার তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে এই ইস্যুকে জনগণের মাঝে নিয়ে যাবেন মমতা।
আরও পড়ুন:
দলীয় সূত্রে অন্তত তেমনটাই খবর। এক্ষেত্রে নভেম্বর বিপ্লবের মাসকে সামনে রেখে বিরোধীদের 'ডিসেম্বর বিক্রম'কে রুখে দিতে চান তিনি। আর সেই জায়গা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।