ক্যালিফোর্নিয়া, ১৬ নভেম্বর: ২০২৪ সালের মধ্যেই নাসা ও জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা যৌথভাবে ম্যাগনোলিয়া কাঠের তৈরি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে। এই স্যাটেলাইটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘লিগনোস্যাট’। কিন্তু ধাতু বাদ দিয়ে কাঠের স্যাটেলাইট কেন, এর সুবিধাই বা কী?
আরও পড়ুন:
মহাকাশযানকে আরও টেকসই করতেই এই চেষ্টা বলে জানিয়েছে বিশ্বের অন্যতম এই দুই মহাকাশ সংস্থা।
মহাকাশে বায়ুমণ্ডল বা পানির উপস্থিতি নেই। সেখানে জীবাণুর আক্রমণ হওয়ারও কোনও নেই। তাই কাঠের হলেও পচে নষ্ট হওয়ার ভয় থাকছে না। কোনওভাবে যদি এটা কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে তাহলে দুর্ঘটনার শঙ্কাও নেই। কারণ কাঠ বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ছাই হয়ে যাবে। চলতি বছর ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে প্রথমবারের মতো এ ধরনের তিনটি নমুনা স্যাটেলাইট নিয়ে একটি সফল পরীক্ষা চালানো হয়। এই সফলতা এখন নাসা ও জাক্সাকে মহাকাশে কাঠের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনে উৎসাহিত করছে। সেই পরীক্ষায় মহাকাশের তাপ, ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ কিংবা সৌর কণার আঘাতেও ম্যাগনোলিয়া কাঠের নমুনায় কোনও বিকৃতি দেখা যায়নি। অর্থাৎ মহাকাশে টিকে থাকার সব ক্ষমতা এই কাঠের রয়েছে।