১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিবরাজের পর সংবিধান থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  ভারতীয় সংবিধান থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়ার দাবি তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শিবরাজ সিংয়ের সুরেই তাঁকে কথা বলতে শোনা যায়। সমাজতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ দু’টি কখনওই সংবিধানের মূল অংশে ছিল না এবং এগুলোর অস্তিত্ব ভারতীয় ঐতিহ্য ও চিন্তাধারার পরিপন্থী বলে জানান হিমন্ত।

শনিবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত ‘দ্য এমার্জেন্সি ডায়েরিজ’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হিমন্ত। সেখানে তিনি বলেন, ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় ছিল না। এগুলো জরুরি অবস্থার সময় সংযোজিত হয়। এগুলোর প্রয়োজন নেই বরং এইগুলো ভারতীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়।

তিনি যুক্তি দেন, “ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি ভারতের ‘সর্বধর্ম সমন্বয়’ বা বহু ধর্মের সহাবস্থানের ভাবনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর সমাজতন্ত্র ভারতের অর্থনৈতিক চিন্তাধারার কখনওই মূল ভিত্তি ছিল না।”

আরও পড়ুন: মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার খালাসের রায়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির তীব্র সমালোচনা

হিমন্ত আরও বলেন, “জরুরি অবস্থার ভয়াবহতা এবং তার রাজনৈতিক অপব্যবহারের দাগ এখনও ইতিহাসে রয়ে গেছে। সেই সময় সংবিধানে জুড়ে দেওয়া এই শব্দ দুটটির মাধ্যমে কৃতকর্ম আড়াল করা হয়েছিল। এখন সময় এসেছে সেই ইতিহাসের ভুল শোধরানোর।”

আরও পড়ুন: ধর্মনিরপেক্ষতা সংস্কৃতির অংশ নয়, সমাজতন্ত্রের প্রয়োজন নেই: শিবরাজ সিং চৌহান

আরও পড়ুন: ওরা গো-মাংস ছুড়লে পাল্টা শুয়োরের মাংস ছুড়ুন: হিমন্ত
সর্বধিক পাঠিত

অঙ্কিতা ভাণ্ডারি হত্যাকাণ্ড: রাজ্যজুড়ে “উত্তরাখণ্ড বন্ধ”-এর ডাক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিবরাজের পর সংবিধান থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

আপডেট : ২৮ জুন ২০২৫, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  ভারতীয় সংবিধান থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়ার দাবি তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শিবরাজ সিংয়ের সুরেই তাঁকে কথা বলতে শোনা যায়। সমাজতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ দু’টি কখনওই সংবিধানের মূল অংশে ছিল না এবং এগুলোর অস্তিত্ব ভারতীয় ঐতিহ্য ও চিন্তাধারার পরিপন্থী বলে জানান হিমন্ত।

শনিবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত ‘দ্য এমার্জেন্সি ডায়েরিজ’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হিমন্ত। সেখানে তিনি বলেন, ‘সমাজতান্ত্রিক’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি সংবিধানের মূল প্রস্তাবনায় ছিল না। এগুলো জরুরি অবস্থার সময় সংযোজিত হয়। এগুলোর প্রয়োজন নেই বরং এইগুলো ভারতীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়।

তিনি যুক্তি দেন, “ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি ভারতের ‘সর্বধর্ম সমন্বয়’ বা বহু ধর্মের সহাবস্থানের ভাবনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর সমাজতন্ত্র ভারতের অর্থনৈতিক চিন্তাধারার কখনওই মূল ভিত্তি ছিল না।”

আরও পড়ুন: মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার খালাসের রায়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির তীব্র সমালোচনা

হিমন্ত আরও বলেন, “জরুরি অবস্থার ভয়াবহতা এবং তার রাজনৈতিক অপব্যবহারের দাগ এখনও ইতিহাসে রয়ে গেছে। সেই সময় সংবিধানে জুড়ে দেওয়া এই শব্দ দুটটির মাধ্যমে কৃতকর্ম আড়াল করা হয়েছিল। এখন সময় এসেছে সেই ইতিহাসের ভুল শোধরানোর।”

আরও পড়ুন: ধর্মনিরপেক্ষতা সংস্কৃতির অংশ নয়, সমাজতন্ত্রের প্রয়োজন নেই: শিবরাজ সিং চৌহান

আরও পড়ুন: ওরা গো-মাংস ছুড়লে পাল্টা শুয়োরের মাংস ছুড়ুন: হিমন্ত