পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আজ থেকে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে চলেছে। সউদি সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৩ লাখের বেশি মুসলমান মক্কায় পৌঁছে গিয়েছেন। ওআইসি -এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ১০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ১ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ করা হয়। সেই হিসেবে প্রতিটি দেশের জন্য নির্ধারিত সংখ্যক মানুষ হজ পালনের সুযোগ পান। বিশ্বের যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি হজযাত্রী হজে অংশ নিচ্ছেন, তাদের মধ্যে শীর্ষ ১০টি দেশ হল:
আরও পড়ুন:
১. ইন্দোনেশিয়া: বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, প্রায় ২৮ কোটি জনসংখ্যার ৮৭ু মুসলিম। এ বছর ইন্দোনেশিয়া থেকে ২ লাখ ২১ হাজার মানুষকে হজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
২. পাকিস্তান: দেশটির মোট জনসংখ্যা ২৫ কোটির কিছু বেশি। এই বছর পাকিস্তান থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষের পবিত্র হজ পালন করার কথা।
আরও পড়ুন:
৩. ভারত: ২০ কোটির বেশি মুসলিম বসবাস করেন এই দেশ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ। চলতি বছরে ভারত থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জন হজ করার সুযোগ পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
৪. বাংলাদেশ: ১৭ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ধর্মাবলম্বী। এই বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন পবিত্র হজ পালন করার অনুমতি পেয়েছেন।
৫. নাইজেরিয়া: এটি আফ্রিকার সর্বাধিক জনবহুল দেশ। দেশটিতে অন্তত ১০ কোটি মুসলমান বসবাস করেন, যা দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের মতো। এ বছর নাইজেরিয়ার ৯৫ হাজার ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ হজের অনুমতি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
৬. ইরান: ৮ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে এবার ৮৭ হাজার ৫৫০ জন হজ করার অনুমতি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
৭. আলজেরিয়া: এই দেশের মোট জনসংখ্যা চার কোটির বেশি।
দেশটির জনসংখ্যার ৯৯ শতাংশ মুসলিম। জনসংখ্যার হিসাবে আলজেরিয়া থেকে এ বছর ৪১ হাজার ৩০০ ধর্মপ্রাণ মুসলিম হজের সুযোগ পেয়েছেন।আরও পড়ুন:
৮. তুরস্ক: এই দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে আট কোটি। এই বছর সেখান থেকে ৩৭ হাজার ৭৭০ জন হজ করার অনুমতি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
৯. মিসর: দেশটিতে ১১ কোটি মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ৯০ শতাংশই মুসলিম। ২০২৫ সালে হজের জন্য মিসরের নির্ধারিত কোটা ৩৫ হাজার ৩৭৫ জন।
আরও পড়ুন:
১০. সুদান: এ দেশের মোট জনসংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটির মতো। চলতি বছরে সুদানের জন্য হাজিদের নির্ধারিত কোটা ৩২ হাজার।